Headline
/
কবি ও কবিতা
এই পড়ন্ত অবেলায় -হৃদয়কে রক্ষা করার মতো কিছুই অবশিষ্ট রাখিনি! তাইতো হৃৎপিণ্ডটা এখন রক্তের ও অবহেলার পাত্র। এখন যেদিকে তাকাই – সেদিকেই হারানো মুখগুলোর ইঙ্গিত! ইচ্ছে করে সব মুখগুলোকে একত্রিত read more
“আমার হাত ও এক পলক সত্য চোখ” “আজকাল নিজের চোখজোড়াকে মনে হয় একপলক সত্য চোখ” যে চোখকে আমি কখনোই নিজের মনে করতাম না! আমি অপরের চোখের দৃষ্টি দিয়ে- দেখেছি আমার
আমার আরাধনা ও নারীপ্রেম ভক্তির মাঝে বেজে ওঠে সাইরেন! গভীর সমুদ্রের চেয়েও গভীর, নারীর ঐ দেহের মধ্যে,মন মস্তকের মধ্যে ডুব দিয়ে দেখেছি- ও গায়ে আমার কোনো ঘর বাড়ী নাই! তোর
তোমাদের নুন খেয়েছি গুনতো গাইতে হয়- তাই বলে তোমাদের মন মর্জি মতো নয়। কথায় কথায় ধমক দেবে করবে গালাগাল-এজন্যই কি জন্মেছি আমি,এটাই কি কপাল? যা খুশি তাই বলবে আমায় উল্টো
কবিতার রূপকথার গল্পে যদি কারো নাম উচ্চারণ করা হয়, যদি সাধনা–শক্তি–কৌতূহলকে বাঁচিয়ে রেখে কবিতাকেই কেউ জীবন উৎসর্গ করেন—তবে তিনি নিঃসন্দেহে কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। যিনি সীমাবদ্ধতার প্রাচীর ভেঙে বাংলা ভাষা, বাংলা
কানা পন্ডিতের পাঠশালা, বিদ্যা শিখায় কাঁচকলা! ছেলেপুলে পড়তে এলে- কথায় কথায় ঢোক সে গেলে। হাতে নিয়ে বেতের ছড়ি – ডানে বায়ে দেয় মাথা দোলা! খঁড়ি শ্লেট দিয়ে সবাইকে বসিয়ে দেয়
আমরা যে হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছিলাম, আজ সেই হাতই ধাক্কা দেয়— আমাদের কাঁপা শরীরকে অপমানের কাদায় ফেলে দিয়ে তাদের তরুণ অহংকারে হাসতে হাসতে এগিয়ে যায়। আমরা যে কণ্ঠে লোরি গেয়েছিলাম,
ভালোবাসা দিয়ে গড়েছিলাম এক নগর, স্বপ্নে সাজিয়েছিলাম প্রতিটি ভোর। কিন্তু তোমার চোখে ছিল না সে আলো, অবহেলার ছায়ায় ঢেকে গেল ভালো। আজ দাঁড়িয়ে আছি ভাঙা সেতুর ধারে, শূন্য হাওয়ায় ভেসে












