এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই
আমাদের বাংলাদেশের প্রচলিত আইন রয়েছে। যেখানে বলা আছে মহিলা চাকরিজীবী মায়েদের জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে একটি করে চাইল্ড কেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সেখানে মহিলা শিক্ষকদের বাচ্চা নিয়ে পড়তে হয় বিরম্বনায়। তারা ক্লাসের সময় বাচ্চা রাখার জায়গা পায় না। অনেক স্কুলে প্রধান শিক্ষক সহ ম্যানেজিং কমিটির অনীহার কারণে মহিলা শিক্ষক মা তার বাচ্চা নিয়ে পড়েন দুশ্চিন্তায়। কার কাছে রাখবেন বাচ্চা। এরপরে রয়েছে নিরাপত্তা জনিত দুশ্চিন্তা। কারণ অনেক সময় দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে চাকরিজীবী মায়েরা সন্তান বাসায় বুয়ার কাছে রেখে আসে এবং সেখানে তাদের সন্তান নির্যাতনের শিকার হয়। কিভাবে তার বুকের দুধ খাওয়াবেন বাচ্চাকে কোথায় বসে খাওয়াবেন। এমন নানাবিধ দুশ্চিন্তা বাসা বাধে। একজন জাতি গড়ার কারিগর মহিলা শিক্ষকদের অন্তরে। এর সমাধান কি?
এভাবে কি দিনের পর দিন মহিলা শিক্ষকরা অবহেলিত হয়ে পড়ে থাকবেন নাকি দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রত্যেকটি স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে মহিলা শিক্ষক মায়েদের জন্য একটি করে চাইল্ড কেয়ার প্রতিষ্ঠিত হবে এ প্রশ্ন গোটা জাতির কাছে এবং সরকারের উপমহলের কাছে। আমাদের অনুসন্ধানী টিম প্রায় ১০০ মহিলা শিক্ষক মায়েদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন তারা এমনও নানাবিধি সমস্যায় আছেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির ভয়ে মুখ খুলতে পারেন না ||












