আমিনুল ইসলাম এর কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া কবিতার একাংশ “ঘৃণার আগুনের ছাই”
আদর স্নেহ মমতা সম্মানে
– কাউকে করোনি না।
আমার জন্য রাখলে শুধু অভিশাপ আর ঘৃণা!
আমিতো চাইনি কিছু ;
তোমার নিজের ভালোর জন্য
বলেছি ফিরোনা পিছু।
পিছুপথ ও কিছু কথা কাজ
শুধুই টেনে ধরে।
এই টান থেকে মুক্তি না নিলে
বেঁচে থেকেই মানুষ মরে।
শাবনুর পাগলীর কথা মনে আছে নিশ্চয়ই?
আচ্ছা,দেখতেশুনতে বেশ
উজাড় করা বাতাসে দোলে-
কোহিনূর কালো কালো কেশ!
কালো কেশী শাবনূরে রুপের সাথে
শহুরে মেয়েরা ফেল!
কমন রুমে বান্ধবীরা মিলে –
শাবনুরকে নিয়ে কতো কথা!
নীলা আফসোস করে বলে মিতাকে,
ইস্ যদি শাবনুর পাগলীই না হতো
খারাপ না হতো মাথা!
কতো ছেলে যে ঘুরতো,
শাবনুরের পিছু পিছু।
আমাদের ভাগে থাকতো তখন-
এ গলির মাথামোটা কিছু।
পাগলী তবুও শহরজুড়ে ওকে নিয়ে কত কথা
আজো তবু ভাঙলো না শাবনুরের নীরবতা!
সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে মোস্তফা খেলো চড়!
পাগলের আবার সাক্ষাৎকার
এখান থেকে সর!
মোস্তফা সেদিন থেমে যাননি
মোড়লপনার কাছে।
তার ধারণা শাবনুরের জীবনে,
কিছুতো একটা আছে…!
এসপি সাহেব কেনো –
ওর ব্যপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে বললেন?
সরকারি কক্ষ কেনোইবা ওর নামে বরাদ্দ করলেন!
বাকী অংশ পরের পর্বে….












