সিজারিয়ান মায়েদের জন্য সতর্ক বার্তাসহ কিছু টিপস্
ডাঃজান্নাতুল মাওয়া
সিজারিয়ান মা – সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। কারণ ছোট ভুল বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সিজারিয়ান মায়েরা,একটি সীজার করার পর আপনাদের বেশ কিছু সতর্কবার্তা দেয়া হয়।যা মেনে চলা অত্যাবশ্যক।আপনাদের মিসগাইডনেস এর কারণে ডাক্তারের কথাগুলো সত্য বলে প্রমাণিত হয়।আপনাদের অসাবধানতার কারণে জীবন ঝুঁকি বাড়ে।ফলে দোষটা গিয়ে পরে ডাক্তারের উপর।
কাজেই আমাদের ডাক্তার ও রোগী উভয়কেই যার যার জায়গা থেকে সচ্ছ ও সচেতন থাকা উচিৎ।
সিজার এর সেলাই অনেক আগের হলেও, অতিরিক্ত ভার বহন বা ক্লান্তি আপনার পুরনো সেলাই খুলে দিতে পারে বা র-ক্ত-পা-ত ঘটাতে পারে।
অনেকেই আগে বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দেন না। যতক্ষণ না তাদের নিজের সাথে দূর্ঘটনা ঘটে।
কিছুদিন আগে আমার কাছে একজন রোগী আসেন তার অস্বস্তি লাগলে পেটে হাত রাখলেন।
তারপর নাক ছুঁতেই দেখেন আঙুলে দুর্গন্ধ!
তিনি চিন্তা করে পাচ্ছিলেন না যে, এই দূর্গন্ধ কোথা থেকে এলো। অথচ তিনি শুধু পেট ছুঁয়েছেন।
পরে দেখেন সামান্য রক্ত আর পুঁজের মতো কিছু।
দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া করা ও ব্যাথার কারণ ছিল এটাই।
তিনি দ্রুত জায়গাটা পরিষ্কার করলেন, বিটাডিন লাগালেন এবং পরে আমার শরনাপন্ন হলেন।
তিনি তাড়াতাড়ি বুঝতে পেরেছিলেন এবং অনেকের মতো ভয়ানক কিছু হয়নি।
তাই আপনারা যারা সিজারিয়ান মা, তাদের উচিত—
১/ভারী জিনিস বহন না করা।
২/বারবার ক্লান্ত না হওয়া।
৩/নিজের স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া।
৪/অতিরিক্ত ওজন এর বিষয়ে সতর্ক থাকা।
৫/দুঃশ্চিন্তা না করা
৬/সতেজ শাকসবজি ও ফলমুল খাওয়া
৭/ভিটামিন সি জাতীয় সীজনাল খাবার খাওয়া
৮/টয়লেট এ যাওয়ার পর হাত-মুখ সাবান দিয়ে ধোয়া,
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।
৯/সীজারের জায়গা পরিষ্কার রাখা ও শুকনো রাখা,মনে রাখতে হবে ঘাম,গোসলের পানি যেন জায়গাটাকে স্যাতসেতে না করতে পারে।
১০/পরিবহনে চলার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা।
১১/চীৎকার চেচামেচি না করা ইত্যাদি।
কারণ এতে সেলাই এর জায়গায় আঘাত ও রক্তপাত হতে পারে।









