বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

সুরা মুলক কবরের আজাব থেকে বাঁচায়

।।মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ আযিযাবাদী।। / ৩৮ Time View
Update : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সুরা তাবারাক (মুলক) কবরের আজাব থেকে বাধা প্রদানকারী।’’ [ইমাম আবুশ শাইখ, তবাকাতুল মুহাদ্দিসিন: ১০৯৪; শায়খ আলবানি, সহিহুল জামি’: ৩৬৪৩; হাদিসটি হাসান]
.
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এক সাহাবি একটি কবরের উপর তার তাঁবু টানান। তিনি জানতেন না যে, সেটি একটি কবর; হঠাৎ বুঝতে পারেন যে, কবরে এক ব্যক্তি সুরা মুলক পাঠ করছে। সে তা পাঠ করে সমাপ্ত করে। তারপর তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি একটি কবরের উপর তাঁবু টানাই। আমি জানতাম না যে, সেটি একটি কবর। হঠাৎ বুঝতে পারি যে, এক ব্যক্তি সেখানে সুরা মুলক পাঠ করছে এবং তা সমাপ্ত করেছে।’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘এই সুরাটি প্রতিরোধকারী, মুক্তিদানকারী। এটি কবরের আজাব হতে তিলাওয়াতকারীকে মুক্তি দেয়।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৮৯০; শায়খ আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ১১৪০; উপরিউক্ত ঘটনাটির বর্ণনাসূত্র দুর্বল; তবে, নবিজির বক্তব্য ‘‘এই সুরাটি (কবরের আজাব থেকে) প্রতিরোধকারী’’ অংশটুকু সহিহ]
.
যেমন অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক’ (সুরা মুলক) কবরের আজাব হতে মুক্তিদানকারী। [ইমাম ইবনুল কায়্যিম, আল-মানারুল মুনিফ: ৯১; সনদ হাসান]
.
❖ সুরা মুলক তার তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং সেই সুপারিশে ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে।
.
আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘কুরআনে ৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে, যা তার তিলাওয়াতকারীর জন্য শাফা‘আত (সুপারিশ) করবে; শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। সেটি হলো: তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক)।’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩৭৮৬; হাদিসটি সহিহ]
.
অন্যান্য বর্ণনায় আরও এসেছে, তার জন্য এই সুরা বিতর্ক করবে, তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। [ইমাম তাবারানি, মু‘জামুল আউসাত্ব: ৩৬৫৪; শায়খ আলবানি, সহিহুল জামি’: ২০৯২ ও ৩৬৪৪; হাদিসটি হাসান]
.
এই ফজিলত অর্জনের জন্য রাতে পড়া জরুরি নয়। যেকোনো সময় পড়া যাবে।
.
❖ প্রতি রাতে সুরা মুলক পাঠ করা সুন্নাত।
.
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে ‘‘তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক’’ (সুরা মুলক) তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তাকে এর ফলে কবরের আজাব থেকে দূরে রাখবেন। আমরা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে এই সুরার নাম দিয়েছিলাম ‘‘বাধা প্রদানকারী’’ (কবরের আজাব থেকে)।’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনানুল কুবরা: ১০৫৪৭; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৮৯; হাদিসটি হাসান]
.
জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুরা ‘‘আলিফ লাম মিম তানযিল’’ (সুরা সাজদাহ) ও ‘‘তাবারকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলক’’ (সুরা মুলক) না পড়ে ঘুমাতেন না। [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৮৯২; শায়খ আলবানি হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, তবে ইলালশাস্ত্রের ইমামগণ (ইমাম আবু হাতিম, দারাকুতনি প্রমুখ) হাদিসটিতে ত্রুটি দেখেছেন]
.
মাগরিবের পর থেকে নিয়ে ঘুমানোর পূর্ব পর্যন্ত যেকোনো সময় পাঠ করাই যথেষ্ট।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর