বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

বেদনা আর গর্বের মিশ্র অনুভূতিতে মিশরীয়দের মন

।।আজ সারাদিন ডেস্ক।। / ৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাসাম আহমেদ এল গাজ্জার –এই মুহূর্তে মিশরের সবচেয়ে বড় নায়কের নাম এটি।যিনি নিজের জীবন বিপন্ন হবে জেনেও পরের উপকারে আসার মানসিকতার এমন উদাহরণই তৈরি করেছেন এই ২২ বছর বয়সের যুবক যে,বেদনা আর গর্বের মিশ্র অনুভূতিতে ছেয়ে যাচ্ছে মিশরীয়দের মন।

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিনাই নদীতে পড়ে যাওয়া এক বাসের ১৩ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে সর্বোচ্চটাই করেন হাসাম,কিন্তু তা করতে গিয়ে নিজেই পানিতে ডুবে মারা গেলেন।

হাসামের শোকগ্রস্ত বাবার মুখেই ঘটনার বর্ণনা উঠে এসেছে মিশরের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে, যা তুলে ধরেছে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। ১৩ ছাত্রীকে বহনকারী মিনিবাসটির টায়ার ফেটে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক, বাস পড়ে যায় নদীতে। দুর্ঘটনাটি চোখের সামনেই দেখেছেন হাসাম। এক মুহূর্তও চিন্তা না করে তিনি ঝাঁপ দেন নদীতে, অথচ তিনি নিজেই সাঁতার জানেন না!

তা সত্ত্বেও নদীতে ঝাঁপিয়ে ডুবতে থাকা বাসের পেছনের দরজা খুলে ফেলেন হাসাম। একে এক ১৩ ছাত্রীর সবাইকে বাস থেকে বের করে আনেন!

কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় যে মানসিক ও শারীরিক ধকল গেছে, সেটা আর সইতে পারেনি হাসামের শরীর। শক্তি ক্ষয়ে যাওয়ায় তিনি নিজেই আর উঠে আসতে পারেননি তিরে। ডুবে যান।

মর্মান্তিক এই ঘটনা যখন ঘটলো তখন তার দুদিন পরই ছিল হাসামের জন্মদিন!তিন কন্যা সন্তান আর স্ত্রীকে নিয়ে গড়া ছোট্ট পরিবারের খরচ জোগাতে কাজের খোঁজেই সিনাই গিয়েছিলেন হাসাম।

বেদনার্ত কণ্ঠে, কাঁদতে কাঁদতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছিলেন হাসামের বাবা, সে কণ্ঠে এক বীরের বাবা হতে পারার গর্বও ছিল। ‘আমার ছেলের নায়কের মতো মারা গেল, ওকে নিয়ে আমার গর্বের শেষ নেই’ – সংবাদমাধ্যমে বলেছেন হাসামের বাবা। এ-ও জানালেন, ছেলের জন্মদিনের জন্য কেক বানানো হয়ে গিয়েছিল। ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে ছেলেকে দেখার জন্যই রওনা দিয়েছিলেন বাবা, পথেই পেলেন ছেলের নায়কোচিত মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর।

তাঁর ছেলের কীর্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান জানানো হয়,আর তার ছেলের স্ত্রী আর সন্তানদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।এমনটিই দ্বাবি করেছেন হাসামের বাবা।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর