বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

আজ জেল হত্যা দিবস

।।ফারাবি ইসলাম।। / ৯১ Time View
Update : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

আজ বাংলাদেশের ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনার একটি দিন যা ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস হিসেবে ১৯৭৫ পরবর্তী সময় থেকে এ পর্যন্ত পালিত হয়ে আসছে।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ভোরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা জেল হত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

এ মামলায় আদালতের রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১২ জনকে যাবজ্জীবন এবং তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ ২০২০ সালের এপ্রিলে ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য, জেল হত্যার মাধ্যমে এদেশের তথা তৎকালীন সদ্য ভূমিষ্ঠ স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশেকে অপমৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ানোর ষড়যন্ত্র মত্ত হয়ে এদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা শুরু হয়।
এই সংস্কৃতির ধারাবাহিকতায় দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রাজনীতি, সমাজনীতি, আইন, অর্থনীতি, সংস্কৃতি শিল্প সাহিত্য সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বুদ্ধিজীবীদের গুম হত্যার যে সূচনা টা হয় তা ইতিপূর্বে কোন সরকারই এ নিয়ে কখনো ভাববার অবকাশ পাননি।

প্রতিহিংসার রাজনীতি ও সেখান থেকে গুম খুন থেকে বাঙালি জাতিকে বের হয়ে একটি নতুন দিগন্তের দারুণ মোচন করতে হবে বলে জানান বিশিষ্টজনেরা।
তারা জোর দিয়ে বলেন প্রতিশোধ পরায়ন মানসিকতা নিয়ে ও অন্য দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আর যেন এদেশের একটা মেধাবী সন্তানও ঝরে না পড়ে।ও এদের সুরক্ষা দেয় রাষ্ট্রের মৌলিক কর্মকাণ্ডগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি চ্যাপ্টার বলে মনে করেন তারা।

সর্বশেষ ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধুমাত্র এই দিনটিকে পালন করেন।
একজন বুদ্ধিজীবী তিনি কোন দলের নাম যিনি রাষ্ট্রের সম্পদ,যেসব দিবস গুলোর সাথে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে এদেশের সেনসিটিভ কিছু বিষয় যা স্বাধীন ভূখন্ডকে সূউচ্চ ও মর্যাদার আসনে নিয়ে যাবে এইসব সেনসিটিব ইসুগুলো যা সরাসরি রাষ্ট্রের সাথে সম্পৃক্ত এসব বিষয়গুলো রাজনীতির গণ্ডি থেকে বের করে জাতীয় স্পর্শকাতর ইস্যু গুলো বিষয় হিসেবে গণ্য করা অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করেন। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যারা দেশ ও দশের কথা বলে জীবদ্দশায় অভাব অনটনের সাথে লড়াই করেও উদ্বুদ্ধ দেশ প্রেমের
চেতনা থেকে সরে না গিয়ে জীবন দিয়ে গেছেন।তাদেরকে কোন নির্দিষ্ট দলের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রাখা পরামর্শ দেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ সাধারণ মানুষ।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর