সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি যারা
সালমান শাহ ভক্তরা বলছেন অবশেষে একটি কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো।
সালমান শাহ অভিনীত ৯০ এর দশকের একটি জনপ্রিয় সিনেমা “সত্যের মৃত্যু নাই”এই সিনেমাটি যারা দেখেছেন এবং সে সময়ে আনন্দ সিনেমা হলের দায়িত্বে থাকা মোশারফ হোসেন এর সাথে কথা হয় আজ সারা দিনের সাথে।মোশারফ হোসেন আবেগাপ্লুত হয়ে সত্যের মৃত্যু নাই সিনেমাটির কথা উদাহরণ স্বরূপ টানলেন।
“২৯ বছর ধরে একটা ধোঁয়াশা যার কোন সঠিক সমাধান কেউ দিতে পারেনি তার সমাপ্তি হলো।এফআই মানিক আবেগ আপ্লুত হয়ে এমনি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন”
আদালতের নির্দেশে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর হত্যা মামলা দায়ের করা হলো। মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে নায়ক সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে। গতকাল মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা করা হয়েছে।
জানা যায়,সোমবার আদালতের নির্দেশে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই এই মামলা দায়ের করেন সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম।
মামলার এজাহারে প্রথম আসামি হিসেবে নাম রয়েছে সামিরা হকের, এরপর রয়েছেন শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ, চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডন, রেজভী আহমেদ ফরহাদ, নজরুল শেখ, ডেভিড, রাবেয়া সুলতানা রুবিসহ ১১ জন। এর পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নাম।
আদালতে রিভিশন মামলার রায় শুনে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বলেন, ‘শোকর আলহামদুলিল্লাহ। ন্যায়বিচার তো আমি পাবই। কারণ যেটা সত্য, সেটা সত্য। আমি তাহাজ্জুদেই সেটা খবর পাই। হত্যা মামলার যারা তদন্ত করল না, পিবিআইর বনজ কুমার, পিপি আবু আব্দুল্লাহ, তারা কেন আমার বিপক্ষে গিয়েছিল? আমি তাদেরও বিচার চাইব। তারা কেন আমার বিপক্ষে গেল, ২৯ বছরে সাক্ষী সব নষ্ট করে মামলাটাকে আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করতে চাইল? এটার বিচারও আমরা আদালতের কাছে চাইব। এটা আমার মূল দাবি। বাকি তো আসামিদের বিচার হবেই।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে আত্মহত্যা করেনি, এটা আমি প্রথম থেকেই বলেছি। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন, আল্লাহ ২৯টা বছর জিইয়ে রাখার শক্তি রেখেছেন।’
উল্লেখ্য আদালতের রায়ের পর সালমান শাহ’র মামা আলমগীর কুমকুম হত্যা মামলাটি দায়ের করেন












