সৈয়দ মনজুরুল ইসলামকে হেয় করার অধিকার তোমাদের নেই
ফেসবুকে গৌণ লেখক, ভুয়া বিপ্লবী, ঊন বুদ্ধিচর্চাকারীরা মাঝে মাঝেই হুঙ্কার ছাড়ে– আমাদের দেশে কোনো গুরুত্বপূর্ণ লেখক বা বুদ্ধিজীবী নেই। সবাই নাকি বিক্রি হয়ে গেছে।
লেখক-বুদ্ধিজীবীদের কথা পরে বলি। আগে এই হুঙ্কারদাতাদের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিই– তোমাদের কেউ কখনো কিনতে চেয়েছে? তোমরা কি কখনো এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পেরেছ যে কেউ তোমাদের কিনতে চাইবে?
এবার উত্তরে আসি। তারা পড়েইনি। তাই জানবে কী করে বাংলাদেশে ভালো লেখক আছে কী নেই।
আর বুদ্ধিজীবী। বদরুদ্দীন উমর, যতীন সরকার, আহমদ রফিকের মৃত্যুর পর তো হায় হায় করো। বেঁচে থাকতে তাদের কথা বেমালুম ভুলে হুঙ্কার ছাড়তে– বাংলাদেশে কোনো বুদ্ধিজীবী নেই।
আজ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে।এখন অনেকেই হায় হায় করছে। ওরা কি জানে মঞ্জু ভাই কত বহুমাত্রিক লেখক? জানে সাম্প্রতিকসহ চিরায়ত সাহিত্য ও সাহিত্যতত্ত্বের তিনি কতখানি তন্নিষ্ঠ পাঠক? জানে কি এই পোড়াদেশে না জন্মালে সাহিত্য-বিশ্লেষক হিসাবে দেরিদা, সাঈদের সাথে একই তালিকায় উচ্চারিত হতো তার নাম?
তুমি দুই পেগ মদ বা পদধারীর সামান্য পিঠ চাপড়ানিতে বিক্রি হবার জন্য উন্মুখ। তোমার কাছে তো মনেই হবে সবাই তোমার মতো সস্তা পণ্য।
সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সাথে অনেক বিষয়ে আমার দ্বিমত আছে। কিন্তু তাকে হেয় করার যোগ্যতা বা অধিকার আমার নেই। তোমাদের তো নেই-ই।












