বন্দরে মাটি খুড়তে গিয়ে প্রাচীন মটকার সন্ধান!
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি জরাজীর্ণ পুরোনো ভবন ভাঙার সময় শতবর্ষী এক প্রাচীন মাটির মটকার সন্ধান পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকায় ‘কিশোর ভবন’ নামের একটি দোতলা বাড়ির নিচতলায় এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের দেখা মেলে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়রা মটকাটি দেখতে ভিড় জমান।
খবর পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিকভাবে এটিকে শত বছরের পুরোনো নিদর্শন হিসেবে ধারণা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ শতক জমির উপর নির্মিত ‘কিশোর ভবন’ নামের এই বাড়িটি ২৬ বছর আগে স্থানীয় বাসিন্দা ওমর আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেন আব্দুল হাকিম ও তার তিন ভাই। এরপর থেকেই তারা পরিবারসহ ভবনটিতে বসবাস করে আসছিলেন।
সম্প্রতি ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় সেটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাড়ির মালিক আব্দুল হাকিম জানান, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এতদিন ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করলেও অবশেষে প্রায় পাঁচ মাস আগে ভবনটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিন মাস আগে ভবনের ইট-সুরকি স্থানীয় কাজল প্রধানের কাছে বিক্রি করি। পরে তিনি মিস্ত্রি দিয়ে ভাঙার কাজ শুরু করেন। তবে আমরা বাড়ি কেনার পর থেকেই সিঁড়ির নিচে মাটির পাত্রটির মুখ দেখতে পেতাম। কৌতূহলবশত ভেতরে তাকালে শুধু পানি আর মাটি দেখা যেত।’
ভবন ভাঙার দায়িত্বপ্রাপ্ত মিস্ত্রি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, ‘দুই মাস আগে কাজ শুরু করি। তখন থেকেই সিঁড়ির নিচে মুখ খোলা অবস্থায় একটি মাটির পাত্র দেখতে পাই। পরে পুরো ভবন ভাঙার পর মাটির নিচ থেকে বড় আকৃতির মটকাটি বেরিয়ে আসে। ভেতরে পানি, মাটি এবং কিছু ইট-সুরকি ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।’
খবর পেয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিকভাবে এটিকে শত বছরের পুরোনো নিদর্শন হিসেবে ধারণা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪ শতক জমির উপর নির্মিত ‘কিশোর ভবন’ নামের এই বাড়িটি ২৬ বছর আগে স্থানীয় বাসিন্দা ওমর আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেন আব্দুল হাকিম ও তার তিন ভাই। এরপর থেকেই তারা পরিবারসহ ভবনটিতে বসবাস করে আসছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘তিন মাস আগে ভবনের ইট-সুরকি স্থানীয় কাজল প্রধানের কাছে বিক্রি করি। পরে তিনি মিস্ত্রি দিয়ে ভাঙার কাজ শুরু করেন। তবে আমরা বাড়ি কেনার পর থেকেই সিঁড়ির নিচে মাটির পাত্রটির মুখ দেখতে পেতাম। কৌতূহলবশত ভেতরে তাকালে শুধু পানি আর মাটি দেখা যেত।’
ভবন ভাঙার দায়িত্বপ্রাপ্ত মিস্ত্রি মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, ‘দুই মাস আগে কাজ শুরু করি। তখন থেকেই সিঁড়ির নিচে মুখ খোলা অবস্থায় একটি মাটির পাত্র দেখতে পাই। পরে পুরো ভবন ভাঙার পর মাটির নিচ থেকে বড় আকৃতির মটকাটি বেরিয়ে আসে। ভেতরে পানি, মাটি এবং কিছু ইট-সুরকি ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।’
বাড়ির আরেক মালিক প্রয়াত শহিদুল ইসলামের স্ত্রী সাবরিনা ইসলাম লতা বলেন, ‘আমরা ২৬ বছর ধরেই সিঁড়ির নিচে এই মাটির পাত্রটি দেখে আসছি। তবে পুরোটা কখনো দেখা যায়নি। এখন ভবন ভাঙার পর বড় মটকাটি দেখে আমরা নিজেরাও অবাক হয়েছি।’
এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার জানান, ‘প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করা হবে। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এর সঠিক নির্মাণকাল ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিশ্চিত করতে পারবেন। বর্তমানে মটকাটি স্থানীয়দের তত্ত্বাবধানে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।’












