মাস্টার দা সূর্য সেন-এর জন্মবার্ষিকী ও কিছু কথা
আজ মাস্টারদা সূর্যসেন-এর জন্মবার্ষিকী। সামাজিক মাধ্যমে কিছু মানুষ তবু পোস্ট দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন। প্রিন্ট মিডিয়ায় তাও নেই। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাঁর জন্ম-মৃত্যু দিন পালিত হয় না। কেন হয় না? ‘হেঁদুর বাচ্চা’কে নিয়ে অত আদিখ্যেতার কী আছে? এটাই মূল কারণ কীনা কে জানে?
⭕️
‘সশস্ত্র সংগ্রামী’ সূর্যসেন নির্বাচনী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অনেকেরই চক্ষুশূল। আজ তাঁর জন্মদিনে তাঁকে টুপি-খোলা সেলুট। এরা সব ‘সন্ত্রাসী’। আজকের দিনে নিষ্ঠুর সন্ত্রাস চালিয়ে শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রের পিতা-মাতাগণ সূর্যসেনের মত বিপ্লবীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে। শান্তিবাদী মানুষের এই এক ভ্রাষ্টাচার! তারা অস্ত্র হাতে পক্ষের লোককে ‘বীর’ বলে, আর প্রতিপক্ষকে সন্ত্রাসী।
⭕️
দেশের জন্য হাজার হাজার স্বদেশি বিপ্লবীর নির্মমভাবে মৃত্যুবরণের ইতিহাস আছে। আছে ফাঁসি, কালাপানি, জেল। তবে মাস্টারদা সূর্যসেনকে যেভাবে ব্রিটিশরা হ/ত্যা করেছিল, তা ছিল নাৎসিদের গ্যাসচেম্বারে নির্মমতার মত বিভৎস!
⭕️
বাংলাদেশে (এবং ভারতেও) অনেক পোশাকী বিপ্লবীকে নিয়ে আদিখ্যেতা দেখানো হয়। মিডিয়া হাইপ তোলা হয় স্বার্থে-অর্থে বিকোনো নেতাদের নিয়ে। অথচ অকূতভয় বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ তো নেই-ই, কোনো সামাজিক উদ্যোগও চোখে পড়ে না।
⭕️
এসব হিপোক্র্যাসির কারণেই বোধহয় এই জাতিতে আত্মবিসর্জনকারী বিপ্লবীদের চেয়ে বিশ্বাসঘাতক ‘মীর জাফর’ ঝাঁকে ঝাঁকে জন্মায়।
জন্মদিনে হ্যাটস অফ মাস্টারদা।
লেখা মঞ্জুরুল হক












