এই পড়ন্ত অবেলায় -হৃদয়কে রক্ষা করার মতো কিছুই অবশিষ্ট রাখিনি!
তাইতো হৃৎপিণ্ডটা এখন রক্তের ও অবহেলার পাত্র।
এখন যেদিকে তাকাই - সেদিকেই হারানো মুখগুলোর ইঙ্গিত!
ইচ্ছে করে সব মুখগুলোকে একত্রিত করি,
আবার সংগ্রাম ও চেতনায় উল্লাসিনী রূপাকে রুপালী পর্দায় হাজির করি!
একটা নতুন নিয়ম আর নতুন রুপের সমাজ তৈরি করি।
যে সমাজে সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সম্পর্কে আবদ্ধ থাকবে-যেখানে কর্ণফুলী ও গঙ্গার বহমান জলতরঙ্গ ছুঁতে থাকবেনা কোনো বাঁধা।
শরতের সাদা কাশবন যা কিনা সাদা পৃষ্ঠার মতো থাকবে
এখানে যে যার খুশিমতো তার মাতৃভাষায় ছন্দ কবিতা লিখবে!
এই কুঁজো ঘরের এককোণে পরম যত্নে পুষি অর্ধাঙ্গিনীর রেখে যাওয়া স্মৃতি!
আমি বিরাগী হয়েছিলাম সত্যি-তবে,সংসারী শুধু সেজেছিলাম!
তবে সংসারকে আমি কখনো ধর্ম বলে মেনে নিতে পারিনি।
যা সত্যি এই গৃহলোকে-আমিতো তাই করেছিলাম।
আমার অর্ধাঙ্গিনী এই কঠিন বাস্তবতা মেনে নিতে পারেনি।
আমার বক্ষজোড়ায় পক্ষাঘাত করে নিজে নিজেকে ছিনিয়ে নিয়ে ছিন্ন ভিন্ন করেছিলো!
দুলাল,তুই ই বল মিছিলে গিয়ে শ্লোগান না ধরে চুপ করে থাকাটা কী অন্যায় নয়?
আমি সে অন্যায় করিনি,এটাই কী আমার অন্যায় ছিলো?
মান্নান ভাই,সমাবেশে আমার বক্তৃতা শেষ হতেই জিজ্ঞেস করেছিলেন ম্যাথমেটিক্স এর ক্লাসটা আমি বর্জন করেছিলাম কেনো?
এটা সাধারণ ক্যালকুলেশন নয়-আমি তাকে সেদিন বলতে পারিনি।
জীবনের হিসাব কষে ফলাফল বের করার যে সংগ্রাম মাতৃগর্ভ থেকে শুরু হয় এর ফলাফল বের করার ক্লাসতো প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছি আমরা।
দুলাল,তুই ই বল জীবনের হিসাব মিলানোর চেয়ে বড় অঙ্ক আর কি থাকতে পারে?
এই কী জন্ম নেয়ার কারণ?
যেখানে প্রতিটি জীবন ও মুখের সাথে পথচলা বারণ!
এ কেমন অনির্বচনীয় নীলাময়?
এ কেমন জলতরঙ্গ যা ছুঁতে গিয়ে জীবন হয় না কভু প্রেমময়!
ঘুমের মধ্যে গন্ডির বেড়াজালে আবদ্ধ আমিটাকে খুঁজে বের করে পেয়ে দেখি সে আমার হাতের মুঠোয় এই পড়ন্ত অবেলায়!
কীভাবে কেটে গেলো এতোটা বছর,কত-শত ক্ষণ কেটে উঠে স্থির হয়ে দেখি,এ কী!জীবন বলছে আজ এই মুহুর্ত থেকে নাকি আর কোনো সময় নাই!
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।