বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

আমিনুল ইসলাম এর কবিতাপুঞ্জি থেকে-“মহিমা তোমার উত্তরের অপেক্ষায়…. “

Reporter Name / ৭০ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

মহিমা,সেই কবে দেখেছি বাতাসে দোলা চঞ্চল চড়ুই এর মতো তোমার সমুদ্রের বুক জুড়ে বিচরন!
তারপর দিনে দিনে তাতে পরেছে যেন কীসের রঙহীন আবরণ।
বহুদিনের ইচ্ছে এই বিশেষ কথাটি তোমায় জানানোর!
কিন্তু তুমি এটাকে কী বলবে,
কীভাবে নেবে এসব নানান কারণে
হয়নি বলা……
কিন্তু আজ আমি বড্ড নিরুপায়!
তাই তোমাকে না জানিয়ে পারলাম না।
দয়া করে কিছু মনে করো না-

কী বর্ণনা দিবো অবশিষ্ট রাখিনি ভাষা!
এককথায় বললে মহিমার কাছে-
জমিয়ে রাখা সব সুখ দুঃখ আশা নিরাশা,
যেটুকুন আছে অবশিষ্ট পাওয়ার মতো ভালোবাসা
জীবন এখানে এসে মিলেছে
নীরব এক মোহনায়,
আশা রাখি মহিমান্বিত হবো
দুজনেই ত্যাগের মহিমায়।
আশা রাখি জীবন সেড়ে উঠবে তাড়াতাড়ি-একোন আঙিনায় পড়ে আছি যেথা নিরাগে হচ্ছি ভারী।
এমনি কী আর চলে?
এই ভালোবাসাবাসি নিয়ে কতজন দেখছি কতো কটুকথা বলে!
আমি জানি,এ যুদ্ধে ভালোবাসার হবেই জয়-সবইতো হলো তার ইশারায় যিনি পরম করুণাময়।
একটি পক্ষ মানতে নারাজ-বিধাতা যা করে ভালো।
এপাপে কী পঙ্কিল হয়ে ঝরে যাচ্ছে দিনগুলো?
ভাবনার অন্ত নাই!
কী করে আমরা সুনিবিড় ছায়াশীতল অতীত,সুখময় বর্তমান,
আর শান্তিময় ভবিষ্যৎ গড়ার কথা পায়ে মুড়িয়ে যাই?
ভালোবাসা সেতো এমনি-
যার নাই দাঁড়ি কমা
নিঃস্বার্থ বিলিয়ে দিতে পারাটাই
যে এর আসল মহিমা।
আমার একটা মহিমা আছে,
বিনীত নিবেদন তার কাছে-
সবকিছুর উর্ধ্বে হোক,
সম্পর্কের মূল্যায়ন।
তাহলেই পূর্ণ হবে জীবনের সকল আয়োজন।
এতো গেলো একটা আশার পর্ব
যে আমার জীবনের গর্ব।
আমি কী এমনই আমাকে –
খুড়িয়ে খুড়িয়ে চালাবো নিজেকে?
যেথা ছিলো কথা সারাটা জীবন
কাটাবো একসাথে।
বহুদিন কেটে গেলো….
দ্যাখা হয় না পাহাড়ি রোদ্দুর
কীংবা সূর্য ডোবা সমুদ্দুর!
সেই কবেকার কথা।

মাঝে তুমি ও তোমরা সবাই মিলে সদলবলে গিয়েছিলে সমুদ্রের পানে
আমি তখন এমনই ছিলাম,
আমার প্রতিটি দিন যেন মৃত্যু শুধু টানে!
নিজেকে হারিয়ে নিঃশ্ব রিক্ত ধূসর আমি গন্ডিবদ্ধ!
কী করে বলো হাতে হাত রেখে
ঢেউ আর চাঁদের খেলায় হারাতাম
কী করে বলো বালুর উপরে তোমার নামটা লিখতাম-আর চকচকে ঐ চাঁদ বদনখানি দেখতাম!
তাই যাওয়া হোলো না!
এরপর কতো পূর্ণিমা রাত
আর আমাবস্যা কেটে গেলো।
আমার ক্লান্ত হৃদয়ে জমতে রইলো
শুধু মেঘে ঘন কালো।
এখন শুধু ভয়,নির্যাতিত নিপীড়নাহত
ভঙ্গুর এই মস্তিষ্ক পোকায় খেকো নাম মাত্র বেঁচে থাকা আমায়
তুমি ছাড়া কে দেখবে?
কে রাখবে আবদার?
আমি একটিবারের জন্য চাই
একটা ব্যক্তিগত জিরো আওয়ার।
আমি হাওয়ার স্পর্শ পেয়ে তোমার দোলা এলোচুলে চাঁদের আলোতে একটিবার তোমায় আবিষ্কার করার সুযোগ পেতে চাই!
আমার সকল অসুখ সুখে হবে পরিণত-যেদিন বন্ধ হবে এ রক্তক্ষরণ অবিরাম!
আমি,আমি নিশ্চিন্তে আর একটিবার পরম সুখের নিঃশব্দ নিস্তব্ধ তোমার চাহনি দেখবো বলে আশায় বুক বেধে আছি!
আমার প্রেম ও ভক্তির শক্তি
কেবলই তুমি পূর্ণ করতে পারো।
এ সামান্য অসুখ কিছু নয়।
যদি তুমি চাও সেরে উঠি নতুন পৃথিবীর জন্য,
একমাত্র তখনই সম্ভব তোমার নিষ্পাপ ভালোবাসায় নিজেকে করতে পারি পরিপূর্ণ।
মহিমা,এতে তোমার কী আপত্তি থাকতে পারে?
বলো?
সবকিছু ভূলে গিয়ে একটা ডুবসাঁতার আমাদের দুজনকেই
নতুন জন্ম এনে দিতে পারে।
বিশ্বাস করো তোমার সদিচ্ছাই শুধু প্রয়োজন।
বলো,আমার জন্য আমাদের জন্য করবে কী এতটুকু আয়োজন?
তোমার উত্তরের অপেক্ষায়।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর