খামেনি হ*ত্যার পরিনাম কী হতে পারে?
শনিবার সকালে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে একটি সরকারি কম্পাউন্ডে নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই ভবনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনী প্রধানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বৈঠকে খামেনি যোগ দিয়েছিলেন। ফলে ওই হামলায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীপ্রধানসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাও প্রাণ হারিয়েছেন।
ইরানে মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলা নতুন নয়। গত বছরের জুনেও ওই দুই রাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। ইরানের আইআরজিসি বা ইসলামী রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের প্রধান, শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে হারায় পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে প্রবাবশালী দেশটি। কিন্তু এবারের ক্ষতি অতীতের সব ক্ষতিকে ছাড়িয়ে গেছে।
SAMAKAL | GET THE LATEST ONLINE BANGLA NEWS
বিশ্ব
ইরান
কী হতে পারে খামেনি হত্যার পরিণাম
কী হতে পারে খামেনি হত্যার পরিণাম
০৭৩২৪২Adfinix logo
সাইফুর রহমান তপন
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ২০:১৫ | আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ | ২০:৩৫
FacebookXWhatsAppLinkedInTelegramMessengerEmail
–
অ
+
শনিবার সকালে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে একটি সরকারি কম্পাউন্ডে নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই ভবনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনী প্রধানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বৈঠকে খামেনি যোগ দিয়েছিলেন। ফলে ওই হামলায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীপ্রধানসহ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাও প্রাণ হারিয়েছেন।
ইরানে মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলা নতুন নয়। গত বছরের জুনেও ওই দুই রাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। ইরানের আইআরজিসি বা ইসলামী রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের প্রধান, শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে হারায় পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে প্রবাবশালী দেশটি। কিন্তু এবারের ক্ষতি অতীতের সব ক্ষতিকে ছাড়িয়ে গেছে।
উল্লেখ্য ১৯৭৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়। তখন গঠিত সরকারে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ছিলেন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী। ১৯৮৯ সালে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট’ (ধর্মীয় নেতাদের একটি পর্ষদ) আলি খামেনিকে ওই পদে বসায়। সংবিধান অনুযায়ী ইরানে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার সর্বজনীন ভোটের মাধ্যমে গঠিত হলেও মূল ক্ষমতা থাকে ওই সর্বোচ্চ পদে আসীন ব্যক্তির হাতে। তাই বলতে গেলে খামেনিই বর্তমান ইরানকে গড়ে তুলেছেন। কারণ পূর্বসূরি খোমেনি ক্ষমতা গ্রহণের পর বেঁচেছিলেন মাত্র ১০ বছর। তদুপরি, প্রায় পুরো সময়টাই তাঁকে ব্যয় করতে হয়েছে বিপ্লবের সহযোগী এবং বিরোধী বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠীর প্রতিরোধ দমনে। ফলে আলি খামেনির শূন্যস্থান পূরণ ইরানের ক্ষমতাসীনদের জন্য যতটুকু চ্যালেঞ্জ, ততধিক চ্যালেঞ্চ হলো ওই হত্যার যথোচিত জবাবদান।
এ কারণেই রোববার ইরানের আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি এবং ইসরায়েলে হামলা চালাবে। তারা বলেছে, কিছুক্ষণের মধ্যে দখলকৃত অঞ্চল ও মার্কিন সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অভিযান শুরু হবে। এমনও হুমকি দেওয়া হয়েছে, এ জবাব দিতে গিয়ে ইরান আগে কখনোই ব্যবহার করেনি এমন কিছু অস্ত্র ব্যবহার করবে, যা সবাইকে চমকে দেবে।












