বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

ভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গে জীবনানন্দ দাশ

Reporter Name / ৬৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

তাঁকে যতই নির্জনতার কবি বলে আখ্যায়িত করা হোক না কেন, তিরিশের প্রধান কবি লেখকদের মধ্যে ভারত ও বহির্বিশ্বের সমাজ, রাজনীতি ও ইতিহাস সম্পর্কে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি লিপ্ত, সরব ও উদ্বিগ্ন। সাহিত্যের প্রসঙ্গ ছাড়াও তাঁর ভাবনার বিষয় হয়ে ওঠে সমাজ ও রাজনীতিসহ বহুবিদ বিষয়; ‘যুক্তি জিজ্ঞাসা ও বাঙালি’ নামক প্রবন্ধের সূত্রে তিনি প্রবেশ করেন সামাজিক-দার্শনিক প্রপঞ্চে, শিক্ষা বিষয়ে লিখলেন গভীর অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন পাঁচটি প্রবন্ধ, ‘পৃথিবী ও সময়’ নামক প্রবন্ধে প্রবেশ করলেন ভারত ও বহির্বিশ্বের সামাজিক পরিস্থিতির জগতে, এমনকি সরাসরি ‘অর্থনৈতিক দিক’ নিয়েও লিখেছেন। আমাদেরকে যা আরও বিস্মিত করে, তাহলো ‘Atomic Energy and Nations’ এবং ‘Terrorist Revolution in Bengal’ শিরোনামে গনগনে বিষয়ে লেখার দৃষ্টান্ত। আর সর্বোপরি, যে-বিষয়টি নিয়ে এই লেখা, সেই ভাষা প্রসঙ্গ, বাংলাভাষা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ রঞ্জিত হয়ে আছে ইংরেজি ও বাংলাভাষায় রচিত `The Future of Bengali Language and Literature’ এবং `বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’ নামক দুটি প্রবন্ধে। অর্থাৎ, তিরিশের প্রধান লেখকদের মধ্যে জীবনানন্দ দাশই একমাত্র লেখক যিনি সাহিত্য ব্যতীত অন্যান্য নানান বিষয় তো বটেই, এমনকি বাংলা ভাষার বিপন্ন অবস্থা সম্পর্কে তাঁর ভাবনা ও বেদনার চিহ্নগুলো স্পষ্ট রেখায় এঁকেছিলেন।
বাংলা ভাষার ভবিষ্যত ও আশংকাগুলো তিনি যে-দুটি লেখায় উল্লেখ করেছিলেন তার একটি মৃত্যু বছর দুই আগে( ১৯৫২ সালে) লিখেছিলেন ইংরেজিতে, আর বাংলায় লেখা প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল বাংলা ১৬ চৈত্র ১৩৫৮ সালে, অর্থাৎ, ইংরেজি ১৯৫২ (২৯ মার্চ) সালে। এও খুব আশ্চর্যের ব্যাপার যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা মুছে ফেলার যে-ষড়যন্ত্র চলছিল—৪৭ থেকে ৫২ সাল পর্যন্ত—সে সম্পর্কে জীবনানন্দ দাশ ছাড়া তিরিশের অন্য চার পাণ্ডবই ছিলেন প্রতিক্রিয়াহীন।
ভাষার অস্তিত্বের প্রশ্নে ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারীর ঘটনা যে তাঁর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছিল সেটা উভয় প্রবন্ধেই লক্ষ্য করা যায়। দুটোই সম্ভবত কাছাকাছি সময়ে রচিত, তবে ইংরেজি প্রবন্ধটি তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। দুটো প্রবন্ধের শিরোনাম একই রকম হলেও, তারা পরস্পরের অনুকরণ বা অনুরণন নয়। তবে দুটোতেই ভাষা ও সাহিত্যের প্রসঙ্গটাই মূখ্য। পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের ফলে বাংলা ভাষার ভবিষ্যতে কী হতে পারে সে সম্পর্কে তাঁর আন্দাজ ও আশংকা তিনি তুলে ধরেছিলেন তাঁর ইংরেজি লেখাটিতে:
“এখনও পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের বেশিরভাগ মানুষের ভাষা বাংলা, কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু হয়তো এটিকে লিখিত বা এমনকি কথ্য ভাষা হিসেবেও সরিয়ে দিতে পারে। যদি তা হয় – তাহলে বাংলা তার অনেক সমৃদ্ধ উপভাষা হারাবে – যা পূর্ব বাংলায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লালিত এবং তার মুসলিম নাগরিকদের দ্বারা খুব নিখুঁতভাবে পরিচালিত।”
“Most people in East Pakistan have Bengali even now; but Urdu as the State Language of Pakistan may displace it as a written or even a spoken language. If it does—Bengali would lose many or her richest dialects—nursed over the centuries in East Bengal and so perfectly by her Muslim citizens.” ( সমগ্র প্রবন্ধ, জীবনানন্দ দাশ, সম্পাদক ভূমেন্দ্র গুহ, প্রতিক্ষণ প্রকাশনী, ২০১৮, পৃ ১৯১)
এই লেখাটি তিনি যখন লিখছিলেন তখন পূর্ব পাকিস্তান থেকে তিনি কর্মসূত্রে কোলকাতায়। তাঁর সহযাত্রী বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দেরও বহু আগে এই দেশ ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন। বুদ্ধদেব এবং জীবনানন্দ—দুজনই এই অঞ্চলের সংস্কৃতিতে বড় হয়েছেন, এখানকার ভাষার আদরে লালিত হয়েছেন। বুদ্ধদেব-এর বাংলাদেশ বা পূর্ব পাকিস্তান শুধুই ধূসর স্মৃতি হয়ে বেঁচে ছিল। কিন্তু জীবনানন্দের কাছে তা স্মৃতি নয়, ছিল শেকড়ের সংযোগ। উপরন্তু, তাঁর কবিতার প্রধান আবহটাই পূর্ব বঙ্গীয় প্রাকৃতিক ভূদৃশ্যের উপাদানে গড়া। ফলে, পূর্ব পাকিস্তানে ভাষার উপর আক্রমণের ফলে তার পক্ষে নির্লিপ্ত থাকা ছিল অসম্ভব। তিনি এতটাই আলোড়িত ও বিচলিত বোধ করেছিলেন যে বাংলা ভাষায় একই বিষয়ে, কিন্তু আরও বেশি বিশদে ও বহুমুখিতায় সরাসরি বাংলা ভাষায় আরেকটি প্রবন্ধ লিখলেন। বলা যায়, মোটামুটি ২১ শে ফেব্রুয়ারির ঘটনার পরপরই প্রবন্ধটি লিখেছিলেন যা দেশ পত্রিকায় মাসখানেক পরে প্রকাশিত হলো। এই প্রবন্ধটির শুরুই করেছেন তিনি এভাবে:
“পূর্ব পাকিস্তান তৈরি হবার পর বাংলা ভাষার ও সাহিত্যের কী হবে—কী হতে পারে—ভেবে দেখেছি মাঝে-মাঝে। দেশ খণ্ডন ছাড়াও আরও কয়েকটি সমস্যায় বাংলা ভাষার ভবিষ্যৎ জড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে ভাবনা-চিন্তা; বিশেষ কোনও মীমাংসার পথ এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।” ( পৃ ২১৬)
দেশ ভাগের সঙ্গে সঙ্গে ভাষার ভবিষ্যৎ যে সংকটে পড়তে পারে, এটা পশ্চিমবঙ্গে লেখক-বুদ্ধিজীবীরা সম্ভবত অতটা তলিয়ে ভাবেননি। কিন্তু জীবনানন্দ ভেবেছিলেন, এবং সেই ভাবনার গুরুত্ব ছিল বেশ কিছু কারণে। বাংলা ভাগ হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষা থাকছে বটে, আপাতভাবে মনেই হতে পারে বাংলা ভাষা নিয়ে আশংকা করার কিছু নেই। থাকার কথাও নয়। কিন্তু গোল বাঁধিয়ে ছিল পাকিস্তানি শাসকরা বাংলা ভাষাটি কেড়ে নিতে গিয়ে। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষার প্রতি আক্রমণটা ঔপনিবেশিক শক্তির দ্বারা নয়, ভারতের প্রশাসনিক শক্তির দিক থেকেই এসেছিল। বাংলা ভাষা হিন্দির হুমকির মুখে পড়তে শুরু করলে সেখানকার লেখক বুদ্ধিজীবীদের টনক নড়েছিল। যে-বুদ্ধদেব বসু ৫২ সালে একটুও বিচলিত বোধ করলেন না পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের ফলে, কিন্তু ১৯৫৭ সালে ভারত সরকার যখন “২৬১ পৃষ্ঠাব্যাপী বিশাল বিবৃতিতে সরকারি ভাষা কমিশন, ভুরিপরিমাণ যুক্তি ও বাগবিন্যাস সহযোগে এই অভিমত প্রকাশ করলেন যে হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিৎ।, তখন এর প্রতিবাদে “আশ্বিন-পৌষ ১৩৬৪ সংখ্যা কবিতা-য় প্রকাশিত হল বুদ্ধদেবের বিখ্যাত প্রবন্ধ—‘ভাষা, কবিতা ও মনুষ্যত্ব’।” (বুদ্ধদেব বসুর জীবন, সমীর সেনগুপ্ত, প্র্রতিভাস, ২০১৯, পৃ ২৯০) সন্দেহ নেই যে এই প্রবন্ধটিতে হিন্দির আগ্রাসন ও আরোপের বিরুদ্ধে মাতৃভাষা রক্ষায় যে-সব তীক্ষ্ণ যুক্তি ও উদাহরণ দেয়া হয়েছিল প্রবন্ধটিতে তা এক কথায় অনবদ্য। সেই সময়ের পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষার জন্য হিন্দি যে হুমকি হয়ে উঠেছে সেটা টের পাচ্ছিলেন অনেকেই। এ নিয়ে সরব হয়েছেন খুব অল্প সংখ্যক লেখকই। এবং আমরা লক্ষ্য করবো পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য শহীদ হওয়ার ঘটনা এবং অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে বাংলার প্রতি হিন্দির হুমকি—এই দুটো ঘটনায় জীবনানন্দ দাশ তিরিশের অন্য যে-কোনো লেখকদের আগেই বিচলিত বোধ করেছেন এবং লিখেছেনও এ নিয়ে। জীবনানন্দ দাশ বাংলা প্রবন্ধটির মাঝামাঝি এক জায়গায় বলছেন;
“পূর্ব পাকিস্তান’এর রাষ্ট্রাভাষা নিয়ে কিছু কাল থেকে আলোড়ন চলছে। পূর্ব পাকিস্তান’এ প্রায় সমস্ত লোকই বরাবর বাংলা ব্যবহার ক’রে আসছে।” (পৃ ২২৩) ‘কিছু কাল ধরে আলোড়ন চলছে’—এটা অনুমান করা কি অযৌক্তিক হবে যে তিনি ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি আগে থেকেই পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় পূর্ব পাকিস্তানে লেখালেখিও হচ্ছিল, সেসব তিনি ঠিকই লক্ষ্য করছিলেন? যদি পূর্ব পাকিস্তানে প্রকাশিত আবদুল হক, ড. এনামুল হক বা ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর লেখাগুলো যদি দেখার সুযোগ না-ও পেয়ে থাকেন, অন্তত কোলকাতার ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকায় ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত সৈয়দ মুজতবা আলীর `পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ শীর্ষক দীর্ঘ প্রবন্ধটি হয়তো পড়ে থাকবেন। তা নাহলে কী করে বলা সম্ভব যে কিছু কাল থেকে আলোড়ন চলছে? পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা নিয়ে এই তোলপাড় যখন চলছে, তখন তিনি প্রবন্ধের এক জায়গায় বলছেন:
“এরকম অবস্থায় পূর্ব পাকিস্তান তার দেশজ ভাষা ও সাহিত্য ছেড়ে দিয়ে উর্দু গ্রহণ করা সহজ ও স্বাভাবিক মনে করতে পারবে কি না—কিংবা উর্দুর সঙ্গে-সঙ্গে বাংলাকেও পাকিস্তান’এর একটি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে লাভ করতে চাইবে ও পারবে কি না—পূর্ব পাকিস্তান’এ ভাষা নিয়ে এই সব সমস্যা দেখা দিয়েছে। মীমাংসা এখনও কিছু হয়নি। কোন পথে হবে বলা কঠিন। কাগজে যে-সব খবর পাওয়া যায় তা কত দূর সঠিক ও সম্পূর্ণ বলতে পারছি না; সংবাদ প’ড়ে মনে হয় খুব সম্ভব বেশি সংখ্যক পাকিস্তানিই বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান’এর একটি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্থিত দেখতে চান।” ( পৃ২২৩)
কিন্তু বাংলা ভাষার পরিবর্তে যদি উর্দু প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেত তাহলে এতে করে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি লেখকরাও যে তাদের লেখা ভাষাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, সেই আশংকাও তাকে কম ভাবিত করেনি:
“কিন্তু উর্দু পূর্ব পাকিস্তান’এর ভাষা হলে বাংলা সাহিত্যের তেমন কোনও দরকার থাকবে না সেখানে।” (পৃ ২২৪)
বাংলা ভাষার অস্তিত্ব যে কঠিন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি সেই আশংকা থেকে তিনি প্রবন্ধের শেষ স্তবকে এসে বলেন:
“অন্য নানা কারণেও প্রায় এক-শো সোয়া-শো বছর পরে বাংলা ভাষা-ও-সাহিত্যের সব-চেয়ে বিপদের সময়ে এসে পড়ছে এ-বার।” (পৃ ২২৮)
কোলকাতায় যখন অন্য সহযাত্রী লেখকরা বাংলা ভাষার এই বিপদের মুহূর্তে প্রায় নির্বিকার ছিলেন, জীবনানন্দ দাশ তখন এ বিষয়ে কতটা আলোড়িত ছিলেন তা উপরোক্ত প্রবন্ধ দুটিতে খুবই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
এমনকি, হাসান হাফিজুর রহমান কর্তৃক সম্পাদিত ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ , আতিউর রহমান ও লেলিন আজাদ রচিত ‘ভাষা-আন্দোলন: পরিপ্রেক্ষিত ও বিচার’ ( ইউপিএল, ১৯৯০), বশীর আলহেলাল রচিত ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’ (আগামী প্রকাশনী, ১৯৯৯) এবং বদরুদ্দীন উমর রচিত ‘পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’ (বাতিঘর, ২০২৪) শীর্ষক গ্রন্থগুলোয় জীবনানন্দের কোনো উল্লেখই নেই। অথচ এই বইগুলো প্রকাশের আগেই, অর্থাৎ ১৯৫২ সালেই ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে তিনি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে গেছেন। গুরুত্বের বিচারে এর চেয়েও অনেক গৌণ বিষয়কে এইসব গ্রন্থে ঠাঁই দিয়েছেন তাঁরা, কিন্তু জায়গা হয় নি জীবনানন্দ দাশের।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর