বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

অধ্যক্ষ আলমগীর এর বিজয় পিরোজপুরের মানুষের জন্য প্রত্যাশার চেয়েও বড় প্রাপ্তি নিয়ে আসবে

✔আমিনুল ইসলাম / ৫১ Time View
Update : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সুধীজন ও সুশীল সমাজ, সিনিয়র সাংবাদিক,কেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্তরের রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব বলছেন-পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে পিরোজপুরবাসী তথা পিরোজপুর-১ আসনের মানুষ তার প্রাপ্য মর্যাদা দিলে বিএনপি সরকার গঠন করলে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবেন।আর তা হবে পিরোজপুরবাসীর জন্য অভাবনীয় সুসংবাদ।

দলের জন্য তার ত্যাগ,শ্রম সুপরিকল্পিত ও সুসংগঠিত জেলা বিএনপি গড়ায় নেতৃত্বে প্রথম কাতারে থাকা পিরোজপুরের সন্তান আলমগীর হোসেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকবেন।ছাত্র রাজনীতি থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃত্ব,সবশেষ দলের পক্ষ থেকে তাকে মনোনয়ন।এসবকিছু পিরোজপুরবাসীর বড় কিছু প্রাপ্তির সুসংবাদের আগাম বার্তা দেয়।কাজেই সময়ের প্রয়োজনে ও নিজেদের উন্নয়ন বুঝে নিতে দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আলমগীর হোসেনকে বিজয়ী করে বীরের বেশে শপথ পাঠ করানোর দ্বায়িত্ব এখন
পিরোজপুর-১ এর সবার।

বিষয়টি গভীরভাবে নেতৃবৃন্দ
ভোটারদের গভীরতার সাথে ভাবতে হবে এবং তা ভোটের মাঠে প্রয়োগ করতে হবে।সাধারণ ভোটারদের পরিকল্পনায় আলমগীর হোসেনকেই রাখতে হবে।

পিরোজপুর-১ আসনটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন।
এজন্য দল সুশিক্ষিত,সিনিয়র ও পরীক্ষিত ত্যাগী এবং সর্বজনগ্রাহ্য ক্লীন ইমেজের জনবান্ধব নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে এবং ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ করে দিয়েছেন বিএনপি।
আলমগীর হোসেনকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করলে পিরোজপুর ১ আসনের মানুষের ভোটের মর্যাদা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাখবেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দক্ষিণ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পিরোজপুর কারণ দুটি বিভাগের মাঝখানে পিরোজপুরের অবস্থান।সেক্ষেত্রে বিএনপির সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং এই আসনটিতে বিজয়ী প্রার্থীকে পুরস্কৃত করার সম্ভাবনা থেকেই যায়।
২০০১ সালের বিএনপি সরকার গঠন করলে সারা দেশের নাই পিরোজপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছিলো এবং তরুণ তারেক রহমানের বিএনপি, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দূরদর্শী রাজনৈতিক কার্যক্রমের সূচনা লগ্নে আলমগীর হোসেন সর্বোচ্চটা দিয়ে তারেক রহমান এর নেতৃত্বে কাজ করেছেন।
২০০২ সালে তৃণমূল পর্যন্ত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ছড়িয়ে দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রাণশক্তিতে রূপান্তরের এক মহাযজ্ঞ নিয়ে তরুন তারেক রহমান যখন বাংলাদেশের প্রান্তিক এলাকাসমূহ চষে বেড়ান তখন এই আলমগীর হোসেনই অন্যান্য নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে এই অঞ্চলের প্রান্তিক পর্যায়ের তৎকালীন তরুণ প্রজন্মের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার বার্তা পৌঁছে দেন এবং পিরোজপুরকে সর্বোদিক দিয়ে বিশেষ করে শিক্ষা,কৃষি, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামগত উন্নয়ন এর বিষয়ে তরুণদের ভূমিকা অপরিসীম এ বিষয়টি তিনি তাদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
এবং তিনি পিরোজপুর নাজিরপুর ইন্দুরকানিতে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামগতো উন্নয়ন শিক্ষকদের মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
সম্প্রীতি তিনি আমার অঙ্গীকার নামে একটি প্লাটফর্মে পিরোজপুরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, সবার জন্য নিরাপদ বাসযোগ্য পিরোজপুর,নতুন মাত্রার কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার, যে বিষয়গুলোতে তার দূরদর্শী চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে।

পাশাপাশি গ্রাম গঞ্জের রাস্তাঘাট নির্মাণ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন।স্থানীয় সরকার প্রকৌশল এর মাধ্যমে গ্রামগঞ্জে রাস্তাঘাট নির্মাণে তিনি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেন।যখন এই অঞ্চলের মানুষ হাটু সমান কাঁদা ভেঙে বাড়ী থেকে বের হতো,স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে অনেক বেগ পেতে হতো।আমার কি যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল থাকে অনেক শিক্ষাকে ঝরে পড়ে যেতে শুরু করলো ঠিক সে সময় তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে এই বার্তাটি পৌঁছে দেন এবং তার কাছে পিরোজপুরের প্রান্তিক এলাকাসমূহের উন্নয়নের দাবী জানান।তখন সময়ের চার দলীয় জোট সরকারে অন্য একটি দলের প্রার্থীকে জোটের জন্য আসনটি ছেড়ে দেয়া হয়েছিলো।কিন্তু এই আসনের মানুষের জন্য তৎকালীন সময় আলমগীর হোসেনকেই কাজ করতে হয়েছে।

এছাড়া ভূমিহীন ও গৃহীন এবং নদী ভাঙ্গনের শিকার হতদরিদ্র মানুষদের জন্য আবাসন প্রকল্প নির্মাণে ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

২০০৫ সালের জানুয়ারি থেকে টানা তিন মাস দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভা’ করে যখন দলে নতুনভাবে আলোড়ন ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।তৎকালীন সময়ে আলমগীর হোসেন তারেক রহমানের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন তার ছায়া সঙ্গী হয়ে একসাথে কাজ করেন।বিশেষ করে নিজ জেলা পিরোজপুরের তৃণমূলের জনগণের সাথে ওতোপ্রোতো মিশে গিয়ে পিরোজপুরের ৭ টি উপজেলার ৫৩ টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয়,তারেক রহমানের মিশন ভিসন সম্পর্কে অবগত করা সহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন অদম্য মনোবল নিয়ে।আলমগীর হোসেন এর যোগানো মনোবল পরবর্তীতে বিএনপি যখন বিরোধী দলে চলে যায় তখন থেকে প্রায় ১৬ বছর নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত থাকার ক্ষেত্রে অন্যন্য ভূমিকা পালন করেছে।রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আলমগীর হোসেনকে তৃনমূল নেতাকর্মীদের কাছে আরো জনপ্রিয় করে তোলে এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ করে দেয়।

তরুণ তারেক রহমান মনে করতেন, বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীই দল ও দেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিক নির্দেশনা আর দক্ষ নেতৃত্ব তাদের ভেতর সুপ্ত নেতৃত্বকে জাগিয়ে তুলবে। সে কারনেই তিনি তৃণমূলে ঘুরে ঘুরে তাদের উজ্জীবীত করেন তখন। তার এই অভিনব রাজনৈতিক ভাবনা ও তা বাস্তবায়নের প্রারম্ভিক কর্মসূচিগুলো ছিল নন্দিত, যথাযোগ্য ও সময়ের সাথে অগ্রসরমান। রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই কর্মসূচী ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।এমনকি সেইসময় বিরোধী দলগুলোও তাকে নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু করে।
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন তারেক রহমানের এই মহতী উদ্যোগে তার সাথে কাজ করেছেন।একই সাথে নিজ জেলা পিরোজপুরে উন্নয়ন অগ্রগতির ক্ষেত্রেও অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।ফলশ্রুতিতে উন্নত পিরোজপুরের অন্তরায় অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন হয় এ অঞ্চলের।

রাজনীতির বাইরেও সমাজ ও নিজ জেলা নিয়ে প্রবল আগ্রহের সাথে কাজ করেছেন ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান এই আলমগীর হোসেন।চাইলে তিনি আরাম আয়েশে জীবনযাপন করতে পারতেন,কারণ তিনি ঐতিহ্যবাহী ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান এবং তার পিতা আলহাজ্ব আব্দুস সোবাহান একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে আমৃত্যু নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।
নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছিলেন তেজদাসকাঠি মহাবিদ্যালয়,শিক্ষানুরাগী এই মানুষটি এমন সময় কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন যখন গ্রামগঞ্জের ছেলেমেয়েরা শহরে এসে কলেজে পড়াশোনা করার মতো অবস্থায় ছিল না।

পিতার এই মহৎ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে নিজেই কলেজের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে নিজের হাতে গ্রাম গঞ্জের অসংখ্য ছেলেমেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন।

উচ্চশিক্ষিত আলমগীর চাইলেই দেশের প্রথম কাতারের প্রতিষ্ঠানগুলোর একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা হতে পারতেন,কিংবা সফল ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি হতে পারতেন।বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে পারতেন।কারণ তার পিতা একজন সফল ব্যবসায়ী ও সমাজের ধন্নাঢ্য ব্যক্তি ছিলেন।

কিন্তু তিনি তা করেননি পিরোজপুরের অজপাড়া গাঁ এর সন্তানদের কথা ভেবে শিক্ষকতাই শুরু করেন।অথচ তার ছাত্ররা এদেশের উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দেশে-বিদেশে কর্মরত আছেন।

ছাত্ররাজনীতি থেকে শহীদ জিয়া পরিবারের সদস্যের মর্যাদায় বেগম জিয়া তাকে নিজের সন্তান হিসেবেই সবসময় স্নেহতলে আগলে রেখেছেন।আমার নেত্রী আমার মা,বিএনপির আজকে যে এই স্লোগান।এটি আলমগীর হোসেনের তৎকালীন সময়ে পিরোজপুরে দেয়া একটি আবেগাপ্লুত বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহের কথা সবার সামনে যখন তুলে ধরেছিলেন তখন তিনি বলেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া শুধু আমার নেত্রী নন।তিনি আমার মা।যে কথাটি আজকের প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দূরদর্শিতা এবং বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ ও দেশের মানুসপন্থী রাজনীতির চর্চা,পারিবারিক শিক্ষা,শিক্ষকদের নেতৃত্ব,কৃষক,মৎস্যজীবী, শ্রমিকসহ পিরোজপুরের নানা স্তরের মানুষের পরিবারের বান্ধব হয়ে ওঠেন সাদা মনের মানুষ আলমগীর হোসেন।
জেল,জুলুম,অত্যাচার নির্যাতন আলমগীর হোসেনকে কখনো দমাতে পারেনি বরং করোনা মহামারী ও বন্যা সহ বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিরুপ পরিস্থিতির মধ্যেও আলমগীর হোসেন তার সাধ্যমতো মানুষকে সহযোগিতা করেছেন।মানুষের বিপদে আপদে পাশে থাকা মানুষের জন্য কাজ করার প্রবণতা তাকে দল ও এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব পরিণত করেছেন।”সুশীল ব্যক্তির সুকৌশলে প্রতিবাদ”
এই কথাটির প্রকৃত মানে বুঝতে পেরেছেন আলমগীর হোসেন।এবং রাজনীতি মানে যে হানাহানি নয় বরং সবাইকে নিয়ে এক কাতারে দাঁড়িয়ে একসাথে পথ চলা এ প্রবণতা তাকে আরো বেগবান ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলেছে।
কাজেই সব দিক থেকে হিসাব করলে এটা প্রতীয়মান হয় যে,অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কে এমপি নির্বাচিত করলে তার মাধ্যমে পিরোজপুরের মানুষ তাদের ভাবনার চেয়েও বিশাল কিছু পাবেন।

লেখক-
সাংবাদিক,প্রবন্ধ লেখক,
রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
প্রতিষ্ঠাতা নিরাপদ জীবন গড়ি.


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর