ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও ভোটাররা। ইতোমধ্যে অনেক প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠিও দিয়েছেন। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে,
সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ;
নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন;
মাঠপ্রশাসন নিয়ন্ত্রণ;
সংঘাত-সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ;
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি;
প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়ে পোস্টাল ভোটিং
এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আসন্ন নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে আজ নির্বাচন কমিশন ভোটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে।
বেলা আড়াইটায় নির্বাচন ভবনে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে এই সভায় অন্য নির্বাচন কমিশনারসহ রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। গতকাল ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সভার গুরুত্ব বিবেচনায় সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ ডিসেম্বর দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) সঙ্গে বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১৮ ডিসেম্বর ইসি উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে একটি দিকনির্দেশনামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ রেখে ইতোমধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গতকাল নির্বাচনের ‘আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্রে’ এই পরিকল্পনা জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল ছাড়া সব বাহিনী ভোটের সময় পাঁচ দিন (নির্বাচন আগে তিন দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী এক দিন) মোতায়েন থাকবে। আনসারদের জন্য এ সময় হবে ছয় দিন (নির্বাচনের আগে চার দিন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী এক দিন)।
অর্থাৎ ভোটের চার দিন আগে নামবে আনসার-ভিডিপি।
আর ভোটের তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত হবে। এই সময়ের মধ্যে মোতায়েনের জন্য কমিশন প্রচলিত নিয়মে বাজেট বরাদ্দ করবে বলে পরিপত্রে জানানো হয়।
ভোটের নিরাপত্তায় কত সদস্য : এবারের নির্বাচনে ভোটার পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রে ২ লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে। প্রাথমিক সভায় প্রত্যেক ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্বে পালন করবেন। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সংখ্যাই হবে সাড়ে ৫ লাখের মতো। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। এ ছাড়া পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড থাকবে। উল্লেখ্য ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।