বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে না চাইলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

।।আজ সারাদিন ডেস্ক।। / ২২ Time View
Update : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রায়ই ছেঁড়া-ফাটা নোট নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় গ্রাহক‌দের। দোকানে কেনাকাটার ক্ষেত্রে তো বটেই; অনেক সময়ই ব্যাংকে গিয়েও চালানো সম্ভব হয় না এসব নোট। গ্রাহকদেরকে এমন বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি দিতে ছেঁড়া-ফাটা, পোড়া বা বিভিন্ন কারণে নষ্ট হওয়া নোটের বিনিময় মূল্য ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোনো শাখা এ সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট রিফান্ড রেগুলেশন্স জারি করে, এর আওতায় সর্বশেষ এ সার্কুলার দেওয়া হয়েছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখা থেকেই অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বদলের সেবা দিতে হবে। যেসব নোটের বিনিময় মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রদানযোগ্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে। সব ব্যাংকের সব শাখাকে এ সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো শাখা এ সেবা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সার্কুলারে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে নোটের ব্যবহারযোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রচলিত নোটগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো—পুনঃপ্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত, দাবিযোগ্য এবং আগুনে পোড়া নোট। এর মধ্যে পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট বাজারে চলবে। অপ্রচলনযোগ্য এবং ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট যে কোনো ব্যাংকের যে কোনো শাখা থেকে বিনিময় করা যাবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো নোটের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্যমান থাকলে বিনিময় মূল্যের পুরো অর্থ গ্রাহককে তাৎক্ষণিকভাবে দিতে হবে। তবে ৯০ শতাংশ বা তার কম অংশ বিদ্যমান কিংবা অতিরিক্ত ময়লাযুক্ত নোটকে ‘দাবিযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব নোটের বিনিময় মূল্য ব্যাংক সরাসরি দিতে পারবে না। আবেদন পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যালোচনা করে বিনিময় মূল্য দেওয়া যাবে কিনা বা কত শতাংশ দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে জানাবে।

এ ছাড়া আগুনে পোড়া নোটের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোনো বিনিময় মূল্য দিতে পারবে না। এসব নোটের জন্য গ্রাহককে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোনো শাখা অফিসে আবেদন করতে হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখার দৃশ্যমান স্থানে ‘ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিপূর্ণ নোট বিনিময় ও দাবিযোগ্য নোটসংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হয়’—এ মর্মে নোটিশ টানাতে হবে। কোনো গ্রাহক জাল নোট বা ভিন্ন নোটের অংশ জোড়া দিয়ে উপস্থাপন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর