ফুফাতো ভাইয়ের পরিবার নিশ্চিহ্নের চেষ্টার ভয়াবহ স্বীকারোক্তি শামীমের
এ যেন ভয়ংকর যুগের প্রবেশের মোড়ক উন্মোচন!সিনেমা কেউ হার মানালো খুলনার শামীম।
জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে ফুফাতো ভাইয়ের দুই সন্তান ও তার শাশুড়িকে ভাড়াটে কিলার দিয়ে হত্যা করেছেন শামীম আহমেদ। ঘটনার পর দেশ ছাড়ার চেষ্টা চলাকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।পরে আদালতে দেওয়া জবানবন্দীতে উঠে আসে আলোচিত এই ট্রিপল হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বর্ণনা।
আজ দুপুরের পর খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান।
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শামীম আহমেদ ২০২৩ সালে অস্ত্র মামলায় কারাগারে থাকাকালে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে সেই পরিচিত সন্ত্রাসীদের ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে ফুফাতো ভাই সেফার আহমেদের পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা করেন তিনি।
পরিকল্পনা অনুযায়ী,গত ১৬ নভেম্বর রাতে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে সেফার আহমেদের লবণচরা এলাকার বাড়িতে প্রবেশ করে শিশু মুসতাকিম (৮), ফাতিহা (৭) এবং তাদের নানি শাহীতুন নেসাকে (৫৫) নির্মমভাবে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডে ৬–৭ জন সন্ত্রাসী অংশ নেয়।
ঘটনার পর ১৮ নভেম্বর নিহত দুই শিশুর বাবা সেফার আহমেদ লবণচরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের অভিযানে তরিকুল ইসলাম তারেক ও তাফসির হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।কিন্তু শামীম থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে
অবশেষে ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে দেশত্যাগের চেষ্টা করার সময় বিমানবন্দর থানা পুলিশ শামীমকে আটক করে।












