বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

কর্ণফুলী টানেলের সার্ভিস এরিয়া যেন ভুতুড়ে এলাকা;প্রতিদিন লোকসান হয় ২৭ লাখ টাকা

।।শিমুল খান।। / ৫৮ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

সাড়ে চারশ কোটি টাকার কর্ণফুলী টানেলের সার্ভিস এরিয়া এখন ভুতুড়ে এলাকা!!

বিলাসবহুল বাংলো, কনভেনশন সেন্টার, লসুইমিং পুলসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পড়ে আছে অযত্ন-অবহেলায়। বিলাসবহুল এই সার্ভিস এরিয়া ঠিক কেন তৈরি হয়েছে সেই প্রশ্নের উত্তরও দিতে পরাছেন না কেউ। লোকসান কমাতে এই স্থাপনাটি আন্তর্জাতিক পর্যটকনির্ভর বাণিজ্যিক ব্যবহারের পরিকল্পনায় এগোচ্ছে সেতু বিভাগ। 
কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের সময় দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারার পারকী বিচ এলাকায় গড়ে তোলা হয় সার্ভিস এরিয়া। ৭৪ একর জায়গাজুড়ে সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা খরচে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ৩০টি বাংলো। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির জন্য নির্মিত এই অতিথিশালা ঘিরে সুইমিংপুল, কনভেশন সেন্টার, দৃষ্টিনন্দন মসজিদসহ আছে আরও নানা স্থাপনা।  
তবে উদ্বোধনের পর থেকে অলস পড়ে আছে এই স্থাপনা। আয় নেই, অথচ বিশাল ব্যয়ের এই প্রকল্প দেখাশোনায় নিয়োজিত শতাধিক জনবল। আছে বিদ্যুৎ খরচসহ রক্ষণাবেক্ষণের বিপুল ব্যয়। সেতু বিভাগের অধীনে থাকা টানেলের সাথে এই সার্ভিস এরিয়া এখন যেন গলার কাঁটা। 
 
সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন,রেস্ট হাউস করা হয়েছে। হেলিপ্যাড আছে। ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং পুল আছে।তবে এর কোনো ব্যবহার নেই।
 
ক্রমবর্ধমান লোকসান কমাতে টানেলের সার্ভিস এরিয়ার এসব স্থাপনাকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বাণিজ্যিক খাতে ৩০ বছরের ইজারা দেওয়ার পরিকল্পনা সেতু বিভাগের। চলতি বছরের জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। চলছে যাচাই-বাছাই। আগামী বছরের শুরুতে ইজারা সম্পন্ন করতে চায় সেতু বিভাগ। 
  
সেতু বিভাগের সচিব আবদুর রউফ বলেন, দুটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র সাবমিট করেছে। যাচাই–বাছাই চলছে। 
 
টানেলের মতো ব্যয় বহুল প্রকল্পে কেন এত বিশাল পরিসরের সার্ভিস এরিয়া, এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন ইজারা দেওয়া হলেও সরকারের স্বার্থ নিশ্চিতের পরামর্শ তাদের।  
 
চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার মজুমদার বলেন, ‘আমাদের বেশিরভাগ বেসরকারিকরণ করা হয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে।এমন যদি হয় তাহলে বলব আগে একটি কু–উদ্দেশ্য এটি বানানো হয়েছে, আর এখন আরেকটি কু–উদ্দেশ্যে এটি ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।’ 
 
চুক্তি অনুযায়ী ইজারাদার প্রতিষ্ঠান টানেলের সার্ভিস স্থাপনা পরিচালনাও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। বার্ষিক ন্যূনতম ভাড়া পরিশোধ করবে ৪ কিস্তিতে।
উল্লেখ্য ২০২৩ সালের অক্টোবরে কর্ণফুলী টানেল চালু হলেও এর ব্যবহার নাই বললেই চলে।প্রতিদিন এখানে লোকসান হয় ২৭ লাখ টাকা।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর