
আর কত প্রাণ গেলে অপরিকল্পিত ঢাকা নগরীর ঢাকা বুদ্ধি-বিবেচনা উন্মুক্ত হবে-প্রশ্ন জনসাধারণের।
রাফিউল ইসলাম রাফি,মেধাবী এই মেডিকেল কলেজের ছাত্র দেশের জন্য নিঃসন্দেহে একটি বড় সম্পদ।অথচ অসাবধান ঢাকা নগরীর ভুমিকম্পের ফলে ভেঙে পরা ভবনের অংশ কেড়ে নিলো তাজা প্রাণ!
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম রাফি মায়ের সঙ্গে মাংস কিনতে গিয়ে ভূমিকম্পে ছাদের রেলিং ভেঙে পড়ে নিহত হয়েছেন।তীব্র ঝাঁকুনিতে একটি ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে পড়ে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন রাফিউলের মা নুসরাত।শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে এ ঘটনা ঘটে।নিহত রাফি বগুড়া শহরের সূত্রাপুর গোহাইল রোড এলাকার ওসমান গণি ওরফে রুস্তম পরিবারের প্রথম সন্তান।তার বাবা ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ বাঞ্চারাম সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত।রাফি বগুড়ার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০২১ সালে এসএসসি পাস করেন।রাফিউল ইসলাম রাফির চাচা আব্দুস সালাম রুবেল জানান, ‘রাফির বাবা ওসমান গণি ঘটনার সময় বগুড়ার বাড়িতে ছিলেন।সংবাদ পেয়েই তিনি ঢাকা রওয়ানা হয়েছেন।আজ শনিবার রাফির মরদেহ বগুড়ায় এনে জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে দাফন করা হবে বলে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।’এদিকে রাফির মৃত্যুর সংবাদ বগুড়ায় পৌঁছার পর আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া । রাফির মা নুসরাত বেগমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের সময় রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে একটি ভবনের নিচতলায় নয়নের মাংসের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাফি ও তার মা।এ সময় হঠাৎ ভূমিকম্প শুরু হয়।তীব্র ঝাঁকুনিতে দোকানের সামনে থাকা ক্রেতাদের ওপর ভবনের ছাদের রেলিং ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন রাফিউল ও তার মা নুসরাত। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক রাফিউলকে মৃত ঘোষণা করেন।রাফির মা নুসরাত বেগম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি মারাত্মকভাবে মাথায় আঘাত পেয়েছেন।
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।