দাড়ি টুপিওয়ালা বেবুন শিম্পাঞ্জিদের স্বমেহনের উল্লাসে
ভেবেছিল কয়কজন গরু ছাগল মিলে বিচারের আগেই আগেই ঠিক করা শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড দিলে ক্ষোভে রাস্তায় বেরিয়ে আসবে লীগের লোকজন, তখন ব্রাশ ফায়ার আর একে-৪৭ ব্যবহার করে গৃহযুদ্ধ বাধানো যাবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কেউ আসেনি। আসেনি কারণ তারা জানে যা করা হচ্ছে সেগুলো সব ভুয়া এবং অযথা। তারা এটাও জানে যে এগুলো কিছুই টিকবে না বরং শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বাড়াবে। তাই শেখ হাসিনার ভুয়া মৃত্যুদন্ড তাদের মনে অনিরাপত্তাবোধ তৈরি করেনি। বরং ফাঁসীর রায় ঘোষণা করার পর অসভ্য বর্বর সরকার ও তার মব বাহিনী ও জামাত-শিবির-বিএনপি বুঝেছে যে তাদের পুরো পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। তখন তারা বুলডোজার নিয়ে প্ল্যন বি বাস্তবায়ন করতে গেছে। আগেই ঠিক করা শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড থেকে বুলডোজার পর্যন্ত এই পুরো বিষয়টা যারা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ণ করছে তাদের সকলের আই কিউ বেবুন শিম্পাঞ্জি মানের।
সারা বিশ্বের সামনে বাংলাদেশ সরকারের নামে যা হচ্ছে সেটা হল একটা নিম্নতর প্রাণীদের সার্কাস যেটা তাদের স্বমেহনের সুখ দিলেও সারা দুনিয়ার মানুষ বিরক্ত, বীতশ্রদ্ধ কারণ মানুষের পশুসূলভ আচরণ সকল মানুষকে লজ্জিত করে শুধু পশুশুলভ আচরণকারীদের ছাড়া। এমনিতেই বর্তমান দুনিয়ায় মুসলিম বেশভূষা এবং দাড়ি টুপির সাথে নির্বুদ্ধিতা ও বর্বরতা, অসংবেদনশীলতা, বিশৃংখলা ও অপরের অধিকার হরণ যেন সমার্থক হয়ে গেছে। বাংলাদেশে আদালত ও বিচারকার্যের নামে বেবুন শিম্পাঞ্জিদের এই নর্তন কুর্দন যেন ইসলাম ও দাড়ি টুপির সাথে বর্বরতা, অসংবেদনশীলতা, বিশৃংখলার সংযোগকে আরো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এর সাথে এই ক্যাঙ্গারু কোর্ট বিচারের যে নমুনা রাখল, সেটা সবচেয়ে ক্ষতি করবে ব্যবসার। এই বিচার সকল বিদেশী বিনিয়োগকে লক্ষ মাইল দুরে ঠেলে দেবে। যে দেশে আইন ও বিচার দাড়ি টুপিওয়ালা বেবুন শিম্পাঞ্জিদের স্বমেহনের উল্লাসে নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং উচ্চ আদালত ও ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে শপথ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো চেয়ে চেয়ে তামাশা দেখে, সে দেশে কেউ অর্থ বিনিয়োগ করতে আসতে পারে না। শতভাগ নিশ্চিত যে, যে সব বিদেশী প্রতিষ্ঠান আছে, তারাও পাততাড়ি গুটিয়ে চলে যাবে।
লেখক
সাংবাদিক,ব্লগার












