ঐক্যমত্য কমিশন নিয়ে সম্প্রতি সাংবাদিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক,সোস্যাল একটিভিস্ট ও টকশো ব্যক্তিত্ব জিয়াউদ্দিন তৌহিদ একটি বিবৃতি দিয়েছেন।বিবৃতিতে তিনি ডক্টর আলী রিয়াজ ও সাংবাদিক মনির হায়দার কে নিয়ে তিনি দেশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক সাহসী মন্তব্য করেছেন।আজ বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া তার একটি স্ট্যাটাসে তিনি জানান আলী রিয়াজ ও মনি হায়দার ৮৩ কোটি টাকার সার্ভিস ক্রিয়েট খেয়ে যেখানের লোক সেখানে চলে গেছেন!
ভাইরাল এই স্ট্যাটাসটিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছেন।এক পাঠক লিখেছেন জিয়াউদ্দিন তৌহিদ ভাই আপনি সব সময় সময়োপযোগী দেশ ও মানুষের কথা বলেন, কিন্তু শেনার মানুষ কে আছে?আসলে এদেশে এমন কেউ কি আছে যে বা যারা দেশের বারোটা বাজানোর বদলে দেশ ও মানুষের একটু শান্তিতে থাকার কথা চিন্তা করবে?
জিয়া ভাই আপনি আগান আপনার পাশে এদেশের অসংখ্য মানুষ আপনার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে তাদের মনোভাব প্রকাশ করছে।
আরেক জন লিখেছেন "জিয়া ভাই বর্তমান সময়ে একটি ভয়েস নাই বললেই চলে। কথা বললেই তার কন্ঠরোধ করা এ দেশের সাংস্কৃতি হয়ে গেছে অনেক আগে থেকেই। আমরা সবাই যে পরিবর্তন পরিবর্তন করলাম পরিবর্তন শুধু এটাই হয়েছে একটা দেশ দেশের মানুষ মধ্যম আয়ের কাতারে পৌঁছানোর পথে হোঁচট খেয়ে সব রোগী হয়ে গেছে!"
সাংবাদিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়া উদ্দীন তৌহিদ এর বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
ঐকমত্য কমিশনের ডঃ আলী রিয়াজ ও সাংবাদিক মনির হায়দার ঠিক কাজ করেছেন। অনৈক্য সৃষ্টি করে এবং জুলাই সনদে লালবাতি জ্বালিয়ে মার্কিন মুল্লুকে অনেক আগেই চলে গেছে। তাদের নীরবে চলে যাওয়ায় সরকার একধরনের ট্রমার মধ্যে আছে।মাত্র ৮৩ কোটি টাকার চা-বিস্কুট খেয়ে উপহার দিয়েছে লক-ডাউন। সবাই বলুন র" এর এজেন্ট। আমি মনে করি র" এর কাছ থেকে নিয়েছেন বলিউডের বুড়ো নায়িকা হেমা মালিনীকে। বিশাল অংকের টাকা নিয়ে জুলাই সনদের পাছায় আলকাতরা মেখে দিয়েছে।
ডঃ কামাল হোসেন বিদেশে আসা যাওয়া করতো, সেই জন্য কামাল হোসেন রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে গেলো। ট্যাগ দেয়া হলো, সংকটময় মুহূর্তে ডঃ কামাল সাহেব দেশে থাকে না। কিন্তু এবার বিদেশ থেকে এনে জাতীয় অনৈক্য সৃষ্টি করার কি দরকার ছিলো?
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।