বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

অক্টোবরে সড়কে ঝরেছে ৪৬৯ প্রাণ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

।।মোঃ তরিকুল ইসলাম।। / ৮৬ Time View
Update : বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

গত অক্টোবর মাসে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই সময়ে ৪৬৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৯ জন নিহত এবং ১ হাজার ২৮০ জন আহত হয়েছেন।
অক্টোবরে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, আর সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে

বুধবার (১২ নভেম্বর, ২০২৫) বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সংগঠনটি বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরে শুধু সড়কেই নয়, রেল ও নৌপথেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দুর্ঘটনা ঘটেছে। রেলপথে ৫২টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৭ জন, আহত হন ৩০ জন। আর নৌপথে ১১টি দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জন, নিখোঁজ ১ হন জন। সব মিলিয়ে মোট ৫৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫২৮ জন এবং আহত ১ হাজার ৩১০ জন।

অক্টোবরে বিভাগ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে– ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩০ জন নিহত ও ৩৪৩ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ বিভাগে– ২০টি দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ও ৩৭ জন আহত হয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেল। মাসটিতে ১৭০টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত ও ১৩৭ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার শিকার হওয়া মোট ৭৭২টি যানবাহনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে মোটরসাইকেল (২৫.৯০%), ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি (২১.২৪%), বাস (১৬.০৬%), ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক (১২.৮০%), সিএনজিচালিত অটোরিকশা (৪.২৭%), নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা (৮.৪১%), কার-জিপ-মাইক্রোবাস (৪.৭৯%)।

দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের মধ্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ রয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (৪ জন পুলিশ, ১ জন র‌্যাব, ১ জন বিজিবি), চালক (১৩৩ জন), পথচারী (৯৯ জন), নারী (৫৮ জন), শিশু (৩৫ জন), শিক্ষার্থী (৩৫ জন), শিক্ষক (১৩ জন), অন্যান্য পেশাজীবী (১ জন আইনজীবী, ৩ জন প্রকৌশলী, ১৪ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী)।

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংগঠনটি বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত মেরামত করা, রাতে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ ও যানবাহনের ডিজিটাল ফিটনেস প্রদান, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা সুনিশ্চিত করা এবং মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশার আমদানি ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর