বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

বেকার আলমগীরের ব্যাংকে ১৫ কোটি টাকা, রহস্য উদঘাটনে নেমেছে দুদক

।।মোঃ তরিকুল ইসলাম।। / ২২ Time View
Update : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার খোদাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলমগীর। তাঁর নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই। অথচ বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে তাঁর নামে রয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এসব টাকা আলমগীর কীভাবে অর্জন করেছেন তারও কোনো সদুত্তর নেই। এক বছর ধরে আলমগীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যের প্রমাণ পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার মামলা করেছে দুদক। অবশ্য, তার আগেই সব ব্যাংক থেকে টাকা সরিয়ে ফেলে নিরুদ্দেশ আলমগীর।

দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন এ অনুসন্ধানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনিই এ দিন নিজ কার্যালয়ে মোহাম্মদ আলমগীর নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকার পরও বিভিন্ন ব্যাংকের ২০টি হিসাবে আলমগীর ও তাঁর স্ত্রীর নামে মোট ১৪ কোটি ৯৩ লাখ ২৯ হাজার ৬০০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এছাড়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ৪২ হাজার ৫৫১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনপূর্বক তিনি ভোগদখলে রেখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন আজ সারাদিনকে বলেন, মোহাম্মদ আলমগীর একজন ধূর্ত ব্যক্তি। দুদকের অনুসন্ধানের খবর পাওয়ার পরপরই তিনি সব টাকা উত্তোলন করে ফেলেছেন। আলমগীর নিজেকে একজন রেমিট্যান্সযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে সন্দেহজনক এবং অবৈধ টাকাগুলো বৈধ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। আমরা তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।
খোদাইবাড়ি এলাকার স্থানীয়রা বলছেন, আলমগীর বিদেশে লোক পাঠানো ও হুন্ডির ব্যবসা করতেন বলে তারা শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু জানেন না। এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে মোহাম্মদ আলমগীরের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর