বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

খাদ্যনিরাপত্তার স্বার্থে মৎস্য ও পোল্ট্রিতে বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি প্রয়োজন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

।।মোঃ তরিকুল ইসলাম।। / ৮৫ Time View
Update : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “কৃষিখাতে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হলেও মৎস্য ও পোল্ট্রি খাতে এখনো ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেটে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই খাতে বিদ্যুৎ বিল কমাতে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। কিন্তু দেশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যনিরাপত্তার বৃহত্তর স্বার্থে মৎস্য ও পোল্ট্রিতে বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি প্রয়োজন।”

আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর চৌধুরী অডিটোরিয়ামে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে “ক্যাব যুব সংসদ-২০২৫” -এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এখানে টাকার অঙ্ক দেখে পিছিয়ে থাকা যাবে না। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) অনুমোদন দিলে পুরো প্রক্রিয়া সহজ হবে।

বিদ্যুৎ খাতে বৈষম্যের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, রাঙ্গামাটিতে ২২০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও স্থানীয় মানুষ সেই সুবিধা পায় না; অথচ সেই এলাকায় এখনো দিনে ৫-৬ বার লোডশেডিং হয়। রাজধানীতেও নিম্নবিত্ত এলাকায় লোডশেডিং থাকলেও উচ্চবিত্ত এলাকায় তা নেই—এ ধরণের বৈষম্য দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন কপ সম্মেলনে “নেট জিরো কার্বন এমিশন” প্রতিশ্রুতিকে ধনী দেশগুলোর প্রতারণামূলক প্রস্তাব। ধনী দেশগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাবেনা অথচ কার্বন নিঃসরণে প্রযুক্তি দিতে চায়। তিনি বলেন, “বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের হিস্যা নগণ্য কিন্তু আমরা ভুক্তভোগী। ধনী দেশগুলো আসলে কার্বন নির্গমন কমাতে নয়, বরং ‘নেট জিরো’ ধারণার আড়ালে নতুন প্রযুক্তি ব্যবসা ও কর্পোরেট মুনাফা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।”

ক্যাব-এর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) -এর সভাপতি সাবেক শ্রম সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর