ঝালকাঠির ভিমরুলিকে সবাই ভাসমান পেয়ারা বাজার হিসেবে জানে । এখানকার আশপাশের ছাব্বিশটা গ্রামের প্রায় বিশ হাজার পরিবার সরাসরি পেয়ারা আর আমড়া চাষের সঙ্গে জড়িত।কিন্তু এটা যে আমড়ারও ভাসমান বাজার, সেটা দেখা ও বোঝার জন্য যেতে হবে আশ্বিন ও কার্তিক মাসের মাঝামাঝি সময়ে।"আজ সারাদিন এর" চোখে পরলো ভাসমান এই আমড়ার বাজার।
গতবার গিয়েছিলাম ভাদ্র মাসের প্রথমে। তখন জমজমাট ছিল পেয়ারা বাজার।লেবুও ছিল সেই মৌসুমে। এই মৌসুমে পেয়ারা নেই, তবে আছে অঢেল আমড়া। আর সেই আমড়া ঢাকার বাজারে সচরাচর দেখতে পাওয়া আমড়ার চাইতে প্রায় দেড়গুণ বড়।
ভ্রমণ করতে আসা, ঢাকা থেকে আরিফ দম্পতির সাথে কথা বললে তারা তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানান-
"আগের দিন বলা ছিলো বলে ঝালকাঠি বাজারে আমাদের জন্য মাছ কিনতে গিয়েছিলেন বৌদির হোটেলের মালিক জয়দেব শিকদার। আমরা নৌকা নিয়ে খালে নামার আগেই ফিরলেন তিনি। থলে থেকে একে একে সব মাছ ঢেলে দেখালেন। ঝকঝকে তাজা বেলে, মাঝারি সাইজের চিংড়ি আর তপসে। সবই স্থানীয় খালের। দুপুরে রান্না হয় আমাদের জন্য"।
তৃষা আক্তার বলেন,
"বৌদির হেটেল থেকে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে মটর বোটে চড়ে কীর্তিপাশা খাল ধরে আটঘর, কুড়িয়ানা, কঠুরাকাঠি ঘুরে আদমকাঠি হয়ে আবার কীর্তিপাশা খালের ওপর বৌদির হোটেলে পৌঁছাতে সময় লাগলো প্রায় দু ঘন্টা।কুড়িয়ানায় খালের ঠিক পাশে দেখা মিললো কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ডিগ্রি কলেজের। খালের পাড়ের মানুষের জীবনযাপন, নৌকাবাহিত পেয়ারা লেবু কিংবা আমড়ানির্ভর তাদের অর্থনৈতিক ও কৃষি কর্মকাণ্ড দেখে যখন ফিরে আসি তখন ভরদুপুর। এর মধ্যে আমাদের জন্য কিনে আনা মাছ রান্না হয়ে গেছে কলাপাতার ওপর বিশেষ কায়দায়।
ভ্রমন পিপাসুরা সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন ঝালকাঠি আটঘর কুড়িয়ানা কঠুরাকাঠি।
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।