বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়নে মাহবুব কবির মিলন যে বাস্তব স্বপ্ন দ্যাখেন

।।ফারাবী মোস্তফা।। / ৮২ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

সোশ্যাল একটিভিস্ট ও দীর্ঘদিন ধরে ভেজালহীন,নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাওয়া একজন দেশ প্রেমিক মানুষ মাহবুব কবির মিলন।আমাদের দেশের অনেক তারকারাই মেঘের ভিতর আচ্ছন্ন থাকেন।যাদের সকালটা শুরু হয় মানুষের মঙ্গলের কথা চিন্তা করে আবার এই মানুষের মঙ্গলের জন্যই নির্ঘুম রাত্রি কাটান।
হঠাৎ করে একটা কনসেপ্ট মনে পরায় আরামের বিছানা থেকে উঠেই ডায়েরী আর কলম নিয়ে বসেন।
পরিকল্পনার কথা লেখেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য খেয়ে না খেয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যান।
এমনই একজন দেশ প্রেমিক মানুষ মাহবুব কবির মিলন।
সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন যা তিনি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখেননি বরং নির্ঘুম দিন রাত্রির বাস্তব জীবনে দেখছেন,যেখানে শুধুই মানুষের স্বার্থ জড়িত…..
তার কথাগুলো আজ সারাদিন হুবহু তুলে ধরছে ও দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করছে মাহবুব কবির মিলনকে
প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে সহযোগিতা করার জন্য।

একটা স্বপ্ন। একটা ফুড ইন্ডাস্ট্রি হবে, যার প্রতিটি খাবার হবে নির্ভেজাল এবং নিরাপদ। যার ক্যাম্পেইন, ব্র‍্যান্ডিং হবে খাবারের সেইফটির নিশ্চয়তা নিয়ে। মানুষের মনে কোনো সন্দেহ থাকবে না। প্রতিটি সন্দেহ বা প্রশ্নের প্রমাণ বা উত্তর দেয়া হবে বিজ্ঞানসম্মতভাবে।
প্রতিটি পণ্যের কথা বলা হবে দায় নিয়ে। যার জন্য জবাবদিহি করতে হবে আল্লাহর কাছে। ভেজালের সমস্ত রূপ বা ধরণ বিশ্লেষণ করে সমস্ত কিছু থেকে খাদ্যকে নিরাপদ রাখা হবে। যার মান হবে সর্বোচ্চ।
যে খাবার স্বল্প বা দীর্ঘ মেয়াদে সব বয়সের মানুষের দেহে কোন প্রকার ক্ষতি করবে না।
রপ্তানি করতে হলে যে মান হবে, দেশের মানুষও একই মানের খাবার খাবে। কোম্পানির লাভের একটা অংশ কর্মীদের মাঝে বিলিয়ে দেয়া হবে। কারখানা হবে গ্রীন ফ্যাক্টরী।
কোনো প্রকার কৃত্রিম রঙ ও ফ্লেভার ব্যবহার করা হবে না। হবে না টেস্টিং সল্ট। আধুনিক ল্যাবরেটরি থাকবে। সব ধরনের দুষণমুক্ত রাখা হবে খাদ্যকে। ভেজালের সাথে হবে জিরো কম্প্রোমাইজ।
স্কুলের ছেলে মেয়েদের কারখানা ভিজিটে নিয়ে যাওয়া হবে রেগুলার। তারা দেখবে, তারা যা খাচ্ছে, সেটার উৎপাদন প্রক্রিয়া।
শিল্পের মূল মন্ত্রই হবে “সততা ও বিশ্বাস”। এই কারখানা হবে জনগণের। বাংলাদেশের ব্র‍্যান্ডিং হবে সারা দুনিয়ায়।
স্বপ্ন দেখা ভাল। অতিরিক্ত দেখা ভাল নয়।আমার টাকাও নেই, আর কেউ নেবেও না।সে সাহসও কারো নেই।

সবশেষে বলবো এই মহান মানুষটির মানুষের সেবার পরমব্রত নিয়ে নিরলস কাজ করে যাওয়াকে আমরা শ্রদ্ধার চোখে দেখবো।এদেশে সাহস করে কেউ কিছু করতে যায় না,ভালো কিছু করতেও চায়না।দু একজন যারা সাহস করে আগায় তারা দেশের চলমান সিস্টেম দেখে হতাশ হয়ে যান।কারণ এই সমস্যাটা একদিনে তৈরি হয়নি।এই সমস্যা যুগ যুগ ধরে চলছে।
তবুও কোন না কোন মায়ের সন্তান দেশমাতার সু সন্তান অর্থাৎ মাহবুব কবির মিলনের মতো দেশমাতৃকার সু সন্তানরা সাহস করে আগায়।এদেশে খারাপ কাজ ভাইরাল হয় সেখানে অনেক মানুষও পাওয়া যায় আর আমরা জাতি হিসেবে প্রতিদিন নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়াতে ব্যস্ত থাকি।আর কে কার পিছনে কতটা দিলো এ নিয়ে চায়ের দোকান থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা পর্যন্ত আলোচনা চলে চলছে চলবে।এটা আমাদের কালচারাল প্রবলেম,অনেকটা জিনগত বৈশিষ্ট্যও বলা যায়।
শুধু খাদ্য নয় মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকার তথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসা সব ক্ষেত্রেই ভেজাল রয়েছে।
সমস্যা যেহেতু ধীরে ধীরে তৈরি হয়ে একটা বিশাল পাহাড়ের পরিণত হয়েছে যার পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে আমাদের ভোগ করতে হবে আগত প্রজন্মের।তাই এটা এখনই থামানো জরুরী।
আসুন সবাই যে যার জায়গা থেকে কাজ করি।মাহবুব মিলন কে সহযোগিতা করি, তার হাতে হাত রেখে শক্ত করে ধরে বলি মিলন ভাই আপনি এগিয়ে যান কাজ করুন আমি আমরা আপনার পাশে আছি।
চির জাগ্রত থাকুক বাংলাদেশ


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর