বাংলাদেশের প্রথম কার্বন নিরপেক্ষ শিশু রুহাব;জন্মের সাথে সাথে বাবা-মা পেলেন সম্মাননা
সম্প্রতি ডাক্তার সাকলায়েন রাসেল একটি বার্তা দিয়েছেন।
যা সত্যি চোখে পড়ার মত ও বর্তমানে ভারসাম্যহীন পরিবেশে বাংলাদেশের মানুষের ঝুকিপূর্ন জীবন থেকে নিরাপদ জীবন গড়তে পরিবেশের প্রতি আমাদের দায়িত্বশীল হওয়া দরকার তারও বার্তা দেন তিনি।যদিও এর আগে পিরোজপুরে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে যা এভাবে প্রচার প্রসারিত হয়নি।পিরোজপুরে আমিনুল দম্পতি ২০২২ সালে তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হওয়ার আগে ২৫০ টি ও জন্মের পরে ৪০০ টি মোট ৬৫০ গাছ রোপন করেন।
আমিনুল দম্পতি একটি সামাজিক সংগঠন চালান তারা নিরাপদ পরিবেশ,খাদ্য এবং নিরাপদ চলার পথ এ নিয়ে প্রায় এক যুগ ধরে কাজ করে আসছেন।
একটি সন্তান জন্ম নেওয়ার সাথে সাথে অন্তত দশটি গাছ লাগান এই বার্তাটি তারা গ্রামগঞ্জে বিগত এক যুগ ধরে প্রচার করে আসছেন।তাদের অনুপ্রেরণায় পাড়া-প্রতিবেশী সহ অনেকেই গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহিত হয়েছে বলে জানেন কৃষক মতিউর রহমান।
তবুও ভিন্ন একটি খবরের শিরোনাম হলো বাংলাদেশী শিশু রুহাব!রুহাবের কারণে এদেশের বাবা মায়েরা পরিবেশ সচেতন হবে এটাও বা কম কী
আয়ান খান রুহাব এই ছোট্ট শিশুটি বাংলাদেশের প্রথম কার্বন নিরপেক্ষ শিশু।
রুহাব জন্ম নেয়ার পর তার বাবা মা হিসাব করলেন-রুহাব বেঁচে থাকতে যে পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইড বাতাসে ছাড়বে তাকে নিউট্রাল করতে অন্তত ৫৮০ টি বৃক্ষের প্রয়োজন হবে।

যেই ভাবনা সেই কাজ।জন্মের পর বছর ঘোরার আগেই লাগিয়ে ফেললেন ৫৮০ টি গাছ।পেয়ে গেলেন বাংলাদেশের প্রথম কার্বন নিউট্রাল বেবির সম্মাননা।
কার্বন নিউট্রাল বেবি” বলতে বোঝায় এমন একটি শিশু (বা শিশুপণ্য, জন্মপ্রক্রিয়া বা জীবনধারা) যার জন্ম, লালন-পালন বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ফলে যে পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) নির্গত হয়, সেটি সমপরিমাণ কার্বন কমিয়ে বা অফসেট করে ভারসাম্য রাখা হয় — অর্থাৎ নিট কার্বন নির্গমন শূন্য।
রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি, পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীনম্যানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মা আয়শা আক্তার কিরণ, সংগঠনটির সমন্বয়ক। তাঁদের বিশ্বাস “শিশুর জন্মের মুহূর্ত থেকেই পৃথিবীর প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি হওয়া উচিত।”রুহাবের বাবা বলেন,
আমাদের একটাই পৃথিবী।এটাকে বাসযোগ্য রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।












