বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শিতলপাটি শিল্প

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

।।ইসরাত জাহান শিমু।।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বৈষ্কাইল গ্রামের পাইট্টাপাড়া এলাকায় একসময় প্রায় ১৫০টি হিন্দু পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শীতলপাটি বুনন পেশায় যুক্ত ছিলো। মুর্তা গাছের ছাল কেটে বোনা এই ঐতিহ্যবাহী পাটি ছিলো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গৃহস্থালি সামগ্রী,যার মসৃণতা ও প্রাকৃতিক শীতলতা গরমের দিনে আরাম দিতো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এর চাহিদা কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পরিবার এই পেশা ছেড়ে দিয়েছে।

বর্তমানে ঐ এলাকায় নারেশ চন্দ্র চন্দা (৮৫), তার স্ত্রী কমলা রানি (৮০) ও ছেলে মনতোষ চন্দ্র চন্দা (৪৫)—এই একটি পরিবারই শীতলপাটি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা স্থানীয় বাজারে পাটি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।ছোট পাটি বানাতে তিন–চার দিন ও বড় পাটি বানাতে ছয়–সাত দিন লাগে।তবে এখন আর স্থানীয়ভাবে মুর্তা পাওয়া যায় না,তাই তাদের তা কিনে আনতে হয়।
গোপালপুর বাজারের ব্যবসায়ী প্রভীর চন্দ্র চন্দা বলেন,“নারেশ চন্দার পরিবার না থাকলে গোপালপুরে শীতলপাটির ঐতিহ্য বিলুপ্ত হয়ে যেত।” উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কোনো প্রকল্প চালু নেই; ফলে নারেশ চন্দ্র চন্দা শুধু বয়সভিত্তিক ভাতা পান। ফলে সরকার ও সমাজের সহায়তা ছাড়া এই শতবর্ষী ঐতিহ্য পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর