জীবিত অবস্থায়ই সাহিত্য দুনিয়া ওলটপালট করে ফেলা রাশিয়ান সাহিত্যিক লেভ টলস্টয় এবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারটা পাবেনই, এটাই সাহিত্য দুনিয়ার লোকেরা প্রতি বছর নোবেল ঘোষনার আগে ভাবত। কিন্তু তিনি কখনই সেটা পান নাই। সেই সময়ে বিশ্ব সাহিত্যে অচেনা রবীন্দ্রনাথ বিদেশী ভাষায় একটি মাত্র অনুবাদে ভর করে নোবেল পুরষ্কার পেয়ে গেলেন। সেই অনুবাদও আবার পুরো রচনার নয়, একটি মাত্র কাব্য সংকলনের জন্য। এটা কেন?
তখনকার চার্চ নির্ভর খ্রিস্ট ধর্মের মৌলবাদী এডুকেটেড এলিটেরা সমাজতন্ত্রের ভয়ে কাঁপছে যে এই বোধ সমাজতন্ত্রের চাপে ধর্মের হল সমাপ্তি। টলস্টয় খ্রীষ্টধর্মে গোঁড়া বিশ্বাসী হলেও তিনি কিন্তু কট্টোর চার্চ বিরোধী ছিলেন। তাঁকে নোবেল দেওয়া মানে তো চার্চের সর্বনাশ। তাই খুঁজে বের করে নোবেল দেওয়া হল সাদা জোব্বা দাড়ির রবীন্দ্রনাথকে। রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দেয়া হয়েছিল গীতাঞ্জলি পড়ে ও দাড়ি জোব্বা দেখে হিন্দু আধ্যাত্মিক গুরু ভেবে। যাতে শিল্প ও শ্রমবিপ্লবের স্বপ্নে মাতোয়ারা দুনিয়া রবী রচনা পড়ে আধ্যাত্মিকতা আর ঈশ্বর ধ্যানে ডুবে রয়, যুক্তি বিজ্ঞান সমঅধিকারের বিপ্লব ফিপ্লবের চিন্তা না করে। তারা তখন কি জানত বাংলা ভাষার রবীন্দ্রনাথ কতটা যুক্তি বিজ্ঞানের লোক ছিলেন? পশ্চিমা বিচারবোধ কখনই তাদের ভীতি, শঙ্কা, অশিক্ষা, দর্শনহীনতা ও একচক্ষুবিশিষ্ট নোংরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে নয়। এগুলো নিয়ে যারা আমাদের সমাজে নাচানাচি বেশী করে তারাও কিন্তু তেমনই।নোবেল পুরষ্কার সব সময়ই রাজনৈতিক।শেষ জীবনে এসে রবীন্দ্রনাথ এটা বুঝেছিলেন নোবেল বর্জন না করলেও তিনি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলেন পশ্চিমাদের উপর।
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।