স্ট্রোক হতে চলছে-কিছুক্ষণ আগে কিভাবে বুঝবেন?
সাধারণ মানুষ একদম প্রাথমিক লক্ষন দেখে কি করে চিনবেন?
অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষনগুলে যা সাধারণ মানুষ ও বুঝতে পারবেন
নীচের পয়েন্ট গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ
১.ক) রোগীকে হাসতে বলুন
= সমস্যা হচ্ছে?
১.খ) তাকে ১টি বাক্য বলতে বলুন
=সমস্যা হচ্ছে?
১.গ) তাকে হাত দুটি উপরে তুলতে বলুন
= সমস্যা হচ্ছে?
১.ঘ) রোগীকে জিহবা বের করতে বলুন
=সমস্যা হচ্ছে?
(এই লক্ষন গুলো কিন্তু স্ট্রোকের হতে পারে) রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
🗾একটি ঘটনা এখানে দেয়া হল🗾
২.🌐একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন।
৩.🌐উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে তিনি পড়ে গিয়েছিলেন।
৪🌐 অ্যাম্বুলেন্স ডাকতেও রাজী হলেন না। আবার খেতে বসলেন।
৫🌐কিন্তু মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন।
৬🌐অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন।
৭🌐পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলেন।
৮⛔সন্ধ্যা ছয়টার সময় রোগী মারা গেলেন।
৯🌐আসলে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ই স্ট্রোক হয়েছিল।
১০🌐সেখানে যদি কেউ স্ট্রোকের লক্ষন গুলো জানতেন,তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা বেঁচে যেতেন।
১১🌐সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, প্যারালাইসিস।
১২🌐মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
১৩🌐বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব।
১৪🌐শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে প্রাথমিক ভাবে স্ট্রোক চেনার উপায় –
স্ট্রোককে চিনুন
১৫ -সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R… পড়ুন এবং জানুন!
১৬-সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
১৭.এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
১৮.এছাড়াও রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ।
১৯. তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
২০.এছাড়াও হাত পা ঝিমঝিম করা, প্যারালাইসিস, মুখ বেঁকে যায়, খুবই ধুমপায়ী, প্রেসারের ঔষধ ঠিকমত খান না, টেনশন, মানষিক চাপ, ডায়াবেটিস, ইত্যাদি।
২১.যদি আমরা এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা আল্লাহর ইচ্ছায় একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
২২.কৃতজ্ঞতা জানাই = ফেসবুককে।
২৩. আমি এই পোস্টে ভুল কিছু লিখে থাকলে তা যেকেউ সংশোধন বা সংযোজন করলে খুশি হবো।
পরামর্শক-
ডাক্তার নওশাদুজ্জামান হীরা












