বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

ব্যবহারকারীদের জন্য বিশাল সুখবর দিলো ইউটিউব

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

।।তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক,আজ সারাদিন।।

দীর্ঘদিন ধরে ইউটিউব ক্রিয়েটররা দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য সাবটাইটেল বা ভিন্ন চ্যানেলের কন্টেন্টের উপর নির্ভর করতেন। কিন্তু এবার সেই প্রতিবন্ধকতা দূর হতে চলেছে। ইউটিউব আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে মাল্টি-ল্যাঙ্গোয়েজ অডিও ডাবিং ফিচার্স, যার মাধ্যমে ক্রিয়েটররা একই ভিডিওতে একাধিক ভাষার অডিও ট্র্যাক সংযুক্ত করতে পারবেন।

ইউটিউব জানিয়েছে,এই ফিচার্স বিশ্বজুড়ে লঞ্চ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছিল। মিস্টার বিস্ট, মার্ক রবার, জেমি অলিভার, নিক ডিজিওভানি মতো বড় ক্রিয়েটররাও এতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। একাধিক ভাষায় ভিডিও প্রকাশ করে তারা দেখিয়েছেন যে দর্শকরা কনটেন্ট দেখতে এখন আরও নতুন ও সহজ বিকল্প পাচ্ছেন।

এই ফিচার্স স্বয়ংক্রিয় নয়, বরং ক্রিয়েটরদের নিজেদের বিভিন্ন ভাষায় অডিও রেকর্ড করতে হয়। এরপর ইউটিউবের সাবটাইটেল এডিটর টুল ব্যবহার করে ভিডিও আপলোড করতে হয়। বিশেষত্ব হল, আগে থেকে প্রকাশ করা ভিডিওতেও নতুন অডিও ট্র্যাক যোগ করা যাবে। ফলে আলাদা চ্যানেল তৈরি করার প্রয়োজন পরে না।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একাধিক ভাষার ট্র্যাক ব্যবহারকারী ক্রিয়েটররা লক্ষ্য করেছেন যে তাদের মোট ওয়াচ টাইমের প্রায় ২৫ শতাংশ এসেছে এমন দর্শকদের থেকে যাদের প্রাথমিক ভাষা ভিডিওর ভাষা থেকে আলাদা ছিল। বিখ্যাত ক্রিয়েটর শেফ জেমি অলিভার এই ফিচার্স ব্যবহার করে তার ভিডিওর ভিউ তিনগুণ বাড়িয়ে ফেলেছেন।

এছাড়া ইউটিউব লোকালাইজড থাম্বনেল ফিচার্সও চালু করেছে। এর অর্থ, ভিডিওর কভার ফটো দর্শকদের ভাষা সেটিংস অনুযায়ী পরিবর্তিত হবে। ফলে আলাদাভাবে ভিডিও আপলোড না করেই ক্রিয়েটররা আরও বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

এই নতুন ফিচার্সের ফলে থার্ড পার্টি ডাবিং ও ট্রান্সলেশন সার্ভিসের ওপর নির্ভর করতে হবে না, সময় ও খরচও অনেক কমে গেছে। আগের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে এই প্রক্রিয়া। ফলে যারা আগে তাদের ভাষায় ভিডিও দেখার সুযোগ পেতেন না, তারা এখন সহজেই অন্য ভাষার ভিডিও উপভোগ করতে পারবেন। এতে ক্রিয়েটরদের ভিউ, রিচ এবং আয় বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে গেছে।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর