গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক: শুভ জন্মদিন আবিদ আজম
আদিল সাদ:
বাংলাদেশের ৩৬শে জুলাই(৫আগষ্ট) ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের এক বীর তিনি—রাজপথের নেতৃত্বের কারিগর, যিনি প্রতিটি বিপ্লবী কবি ও সাহিত্যিককে এক কাতারে এনেছিলেন। স্বৈরচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাগাতার স্লোগান আর কবিতার শ্লোকে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অবৈধ বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে শিখিয়েছেন—“ভয় নেই, আমরা মরতে শিখেছি।”
তাকে নতুন করে পরিচিত করানোর প্রয়োজন নেই। তিনি আমাদের অহংকার—গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক, বিক্ষুব্ধ কবি-লেখক সমাজের আহ্বায়ক আবিদ আজম। আজ তার জন্মদিন। সমাজের জন্য, তরুণদের জন্য তার অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরদিন লেখা থাকবে। তিনি মহাকালে অমরত্বের গাঁথায় তরুণ প্রজন্মের প্রেরণা হয়ে থাকবেন।
যখন সাহিত্যের অনেক সম্পাদক ফ্যাসিস্টদের গুণগান করেছেন, তখন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়েছিলেন আবিদ আজম। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক সাহিত্যের প্রধান কবি আল মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী। একদিনে তৈরি হয়নি এই মানুষ—তার দক্ষতা, সততা, বিচক্ষণতা ও মানবিকতা বাংলা সাহিত্য ও তরুণ কবি-ছড়াকারদের জন্য এক আলোকবর্তিকা।
আমরা শিল্প ও সাহিত্যকে কখনো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করিনি। আমাদের সংস্কৃতি এমন—মানুষকে সন্মান করি হারিয়ে যাওয়ার পর। অথচ যদি আমরা জীবিত অবস্থায়ই গুণী মানুষকে সম্মান দিতে শিখি, তবে আগামীর বাংলাদেশে আবিদ আজমের মতো সংগঠক তৈরি হবে। সেই বাংলাদেশ হবে মাদকমুক্ত, যেখানে শিল্প-সাহিত্য সত্যিকারের অবদান রাখবে।












