ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাটি আমাদের আবারও ভাবতে বাধ্য করেছে—শিক্ষক শুধু একাডেমিক ফলাফল বা সার্টিফিকেট দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।
আমরা সবাই জানি, বর্তমান উপাচার্য একজন অসাধারণ মেধাবী মানুষ। তাঁর শিক্ষাজীবনের সাফল্য ঈর্ষণীয়—
এসএসসি ও এইচএসসি তে বোর্ডে প্রথম
অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম
বিদেশ থেকে পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল
এমন একাডেমিক গৌরব তাঁর। নিঃসন্দেহে তিনি যোগ্য, তুখোড়, মেধাবী।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—একজন শিক্ষকের আসল সাফল্য কি কেবল তাঁর সনদপত্রে সীমাবদ্ধ?
না।
একজন শিক্ষকের প্রকৃত মূল্য বোঝা যায় তাঁর শিক্ষার্থীর আচরণে।
যদি কোনো শিক্ষকের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁরই শিক্ষার্থীরা দাম্ভিকতা, ঔদ্ধত্য আর বেয়াদবির প্রদর্শন করে—তাহলে সেটা শুধু শিক্ষার্থীর ব্যর্থতা নয়, বরং শিক্ষককেও প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।
কারণ, শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা মানে বিনয়, শিষ্টাচার, নৈতিকতা।
শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়—বরং মানুষ গড়ে তোলা।
আজ যখন আমরা দেখি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই শিক্ষকের সাথে এমন আচরণ করছে, তখন প্রশ্ন জাগে—এই শিক্ষাব্যবস্থা কি সত্যিই তাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে?
মেধা থাকলেই কেউ মহৎ হয়ে যায় না।
ডিগ্রি থাকলেই কেউ ন্যায়ের প্রতীক হয়ে যায় না।
একজন সত্যিকারের শিক্ষক তখনই সফল হন, যখন তাঁর শিক্ষার্থীরা শালীন, বিনয়ী এবং নীতিনিষ্ঠ হয়।
শিক্ষকের সাথে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঔদ্ধত্ব পূর্ণ আচরণ আমাদের শিখিয়ে দিল—
মেধা কাগজে লেখা যায়, কিন্তু চরিত্র গড়ে ওঠে বাস্তব জীবনে।
নির্বাহী সম্পাদক-জাফর মাতুব্বর, সহ-সম্পাদক-মোঃআমিনুল ইসলাম
Mobile: +8801611-118649, +8801622-356873,
E-mail: newsajsaradin@gmail.com,ajsaradin24@gmail.com
©নকশী হ্যান্ডিক্রাফট বিডি লিমিটেড এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১০৯,গ্রীণ রোড,ফার্মগেইট, ঢাকা-১২০৫ থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।