বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে সবুজ বিপ্লবের লক্ষ্যে: ৫ বছরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের মেগা মিশন শুরু অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস গ্যাস,জরিমানা ১ লাখ ১৬ হাজার আজ থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণ শুরু ব্যহত হতে পারে বনদস্যুদের কারণে মোটরসাইকেল বিক্রিতে মন্দাভাব,শোরুমের খরচ নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৩কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পন্য জব্দ মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ার আহ্বান কৃষি পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা এনেছে ভুজপুর রাবারড্যাম অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়েই কি পানিতে ডুবে যান রাহুল? ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে এমপিওভুক্ত মহিলা শিক্ষকদের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই

ডাক্তারকে ‘আপু’ ডাকায় রোগীকে রুম থেকে বের করে দেন ডা. মারজিয়া খাতুন।

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

।।শেরপুর।।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মারজিয়া খাতুন জরুরি বিভাগের রুম থেকে ওই রোগীকে বের করে দেন।

অভিযোগকারী রোগীর স্বজন শহরের নয়নী বাজার মহল্লার কাজী মাসুম জানান, বেলা দুইটার দিকে তার ছোট মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস মামিয়ার প্রচণ্ড পেট ব্যথা নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। এসময় কর্তব্যরত ডাক্তার অনন্যা তাকে জরুরি কিছু ওষুধ লিখে দেন। হাসপাতালে ওষুধগুলো না পেয়ে বাইরে বিভিন্ন দোকানপাটে খুঁজতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে একটি ওষুধ না পেয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর আবারও জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসারের রুমে প্রবেশ করে দেখেন আগের ডাক্তার অনন্যা ডিউটি শেষ করে চলে যাওয়ায় পরবর্তী ডিউটিতে আসেন ডাক্তার মারজিয়া খাতুন।

কাজী মাসুমের অভিযোগ, এসময় রোগীর অভিভাবক বিনয়ের সাথে ডাক্তার মারজিয়াকে আপুর সম্বোধন করে বলেন, আগের ডাক্তার যে ওষুধটি দিয়েছিলেন, সে ওষুধটি পাওয়া যাচ্ছে না। অন্য কোনো ওষুধ দেওয়া যায় কিনা। এ কথা শুনেই ডাক্তার মারজিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বলেন, ‘আপু বলছেন কেন, আমি মেডিকেল অফিসার। যান বের হয়ে যান। হতভম্ব ওই রোগীর অভিভাবক বলেন, আপু ডেকে কি দোষ করেছি। কিন্তু এতে তিনি আরও রাগান্বিত হয়ে কয়েক দফা তাকে ধমক দিয়ে তার রুম থেকে বের করে দেন।

এদিকে, ঘটনাটি জানার পর বেলা তিনটার দিকে জেলায় কর্মরত কয়েকজন সংবাদকর্মী সরাসরি ওই ডাক্তারের রুমে আসেন বিষয়টি বিস্তারিত জানার জন্য। এসময় তিনি বলেন, আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়া কারো সঙ্গে কোনো কথা বলবো না

অপরদিকে, হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ডাক্তারদের এহেন আচরণে উপস্থিত অনেক রোগী এবং তার অভিভাবকরা একই অভিযোগে তুলেন ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে। তারা বলেন, শুধুই এই মারজিয়াই নয় হাসপাতালে কর্তব্যরত যত ডাক্তার আছে তাদের মধ্যে প্রায় সবাই এমন আচরণ করেন রোগী এবং তার অভিভাবকদের সাথে।


এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর