বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০৬ অপরাহ্ন

আগে জানুন পরে বলুন

Reporter Name / ২২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) হিসাব বলছে, গত অর্থবছর(২০২১-২২) কয়লা থেকে বিদ্যুৎ কিনতে (প্রতি ইউনিট) গড়ে পিডিবি খরচ করেছে ১৩ টাকা ৪০ পয়সা। তবে আমদানি করা কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হয়েছে ১৪ টাকা ৭৯ পয়সা। আর ফার্নেস তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে খরচ হয়েছে ১৬ টাকা ৮৬ পয়সা।
বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রে ডিমান্ড চার্জ হলো গ্রাহকের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহারের সীমা বা চুক্তিবদ্ধ লোডের উপর নির্ধারিত চার্জ। ডিমান্ড চার্জের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মালামাল, এবং অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আদায় করে।
নিজের টাকার মিটার কিনে ভাড়া কেন দিবো??

আগে জানুন তারপর বলুন, এতে আপনার মূল্য বাড়বে।
চিলে কান নিয়েছে! আগে কানে হাত দিয়ে দেখুন!

১/ মিটার ভাড়া কি ও কেনঃ-
– পল্লী বিদ্যুৎ বেশিরভাগই গ্রামীণ মানুষকে বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে থাকে। যাদের অধিকাংশ সচ্ছল না। একটি ১ ফেইজ মিটারের দাম ১২০০/১৫০০ টাকা। অনেক গ্রাহকের উক্ত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার মতো সাধ্য নাই। তাই ১০ টাকা মাস প্রতি নিয়ে থাকে। একটি মিটারের আয়ু সচরাচর ১০ বছর।তাহলে ১০ বছর x ১২ মাস x ১০ টাকা = ১২০০ টাকা। তবে মিটার বেশিরভাগই ১০ বছরের আগেই নষ্ট হয়ে যায়।এমনকি ১০ দিন কিংবা ১ মাসেও প্রাকৃতিক কারনে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন গ্রাহককে বিনামূল্যে পুনরায় নতুন মিটার দেওয়া হয়। প্রতি মাসে ১০ টাকা গ্রাহক স্বার্থেই করা হয়, যাতে গ্রাহক সুবিধা পায়। কিন্তু, কোন গ্রাহক যদি নিজে মিটার কিনে নেয়, তবে তাকে মিটার ভাড়া দিতে হয় না। এক্ষেত্রে যদি মিটার নষ্ট হয়ে যায় তবে গ্রাহককে আবার টাকা দিয়ে কিনতে হবে।

– ১০ বছর পরেও কি মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে?
উত্তর হচ্ছে, হ্যাঁ।
কারণ, ১ মাস পরেও যদি কোন গ্রাহকের মিটার প্রাকৃতিক কারনে নষ্ট হয়, তখন যেহেতু কোন টাকা নেওয়া হয় না, তাই ১০ বছর পরেও যদি মিটার ভালো থাকে, মিটার ভাড়া চলতেই থাকবে।
– আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড গ্রাহকদেরকে ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দামে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ দিচ্ছে তাদের সুবিধার জন্য।
##অনেকেই বলে আমার জমির উপর বিদ্যুৎ এর খুঁটি বসাইছেন, জমির ভাড়া দেন, নয়তো মিটার ভাড়া বাদ দেন,,
বৈদ্যুতিক পোল যদি আপনার জমিতে, বসত বাড়ির আশে পাশে না বসানো হয় তাহলে আপনার বাড়িতে কিভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিবেন। বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা গুলো হলো সরকার নিয়ন্ত্রিত, তাই সরকারি কাজ সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক হয়,, আপনি যেহেতু আপনার জমির খাজনা প্রদান করেন সরকার কে সেহেতু সরকার চায়লে আপনার জমি ব্যবহার করতে পারবে। তা না হলে বৈদ্যুতিক পোল যদি রাস্তা দিয়ে থাকতো, আর অফিস যদি তার সরবরাহ না করতো তাহলে আপনার অনেক টাকার তার ক্রয় করে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হতো।
সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয় বিদ্যুৎ খাতে, যাতে করে আপনারা, নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ পান।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর